অবৈধভাবে কেটে নেয়া  গাছ উদ্ধার করেছে পুলিশ

4

স্টাফ রিপোর্টারঃ জমি ভাগবাটোয়ারায় স্থানীয়দের একাধিক সালিশ বৈঠকের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে তিন বিধবা মহিলাদের ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত জমির ১০টি রেন্ট্রি গাছ কেটে বিক্রি করে অবৈধভাবে আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনাটি ঘটেছে পটুয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের গাবুয়া সিকদার বাড়িতে। এ ঘটনায় বিধবা মহিলাদের পক্ষে (ক্ষমতাপ্রাপ্ত এটর্নী) এড. মো. জাহাঙ্গীর হাওলাদার ১৫ মে পটুয়াখালী বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৯৮ ধারায় আঃ ছত্তার সিকদার, মতিউর রহমান সিকদার, আঃ মন্নান সিকদার, ও মজিবুর রহমান সিকদার গংদেরকে বিবাদী করে একটি মামলা দায়ের করেন। এমপি মামলা নং-৩১১/১৬।

বিজ্ঞ আদালত এর নির্দেশে  ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৯৮ ধারাবলে পটুয়াখালী সদর থানার ওসি’র নেতৃত্বে এএসআই মো.আল-আমিন মামলার বর্ণিত ২৬ পিস রেন্ট্রি গাছ যার আনুমানিক মূল্য ৩, ৫০,০০০টাকা গাবুয়া বাসস্ট্যান্ডের দক্ষিন পাশে ও কালবার্ডের উত্তরপাশে রাস্তার দুই পাশ থেকে উদ্ধার করে স্থানীয় ইউপি মেম্বর আঃ বারেক ডাক্তারের জিম্মায় রাখা হয়েছে বলে মামলার বাদী এড.জাহাঙ্গীর হাওলাদার জানান।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরনে জানাযায়, উক্ত বিবাদীরা পরবিত্তলোভী, আত্মসাতকারী, দখলবাজ। তারা আইন কানুন, সালিশ বিচার তোয়াক্কা না করে গায়ের জোরে এবং জালজালিয়াতি মূলে দলিল সৃস্টি করে বিধবা মহিলা মরিয়াম বেগম, নুরজাহান বেগম ও সেতারা বেগমের পৈত্রিক ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত জমি জোরপূর্বক ভোগ দখলের পাঁয়তারা করতে থাকলে ওই বিধবা মহিলাদের পক্ষে এড.জাহাঙ্গীর হাওলাদার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অবহিত করে এবং সমাধানের জন্য একবছর ধরে একাধিক বৈঠকের মাধ্যমে কাগজপত্রাদি পর্যালোচনান্তে সালিশগন ওই তিন বিধবাদের পৈত্রিক ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত গাবুয়া মৌজার জে.এল নং ১৭, এসএ খতিয়ান নং ৪৫৩, ৪৫২, ৪৫৪, ১৮৭, ২৮২, ৯৯,৩০৯, ৫০৬, ১৮৩, ৪৩৬, ৪৩৯, ৪৩৮, ৭৯, ৯৮ সহ অন্যান্য খতিয়ানে দাগ সমূহের প্রাপ্ত সম্পত্তি স্থানীয়ভাবে মাপঝোপ করে সিমানা পিলার দিয়ে বুঝাইয়া দেয়ার সিদ্ধান্ত প্রদান করেন। সালিশগনের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে উল্লেখিত ব্যক্তিরা ঘটনার দিন ১৩.৫.১৬ইং তারিখ সকাল ৮টা হতে বিকাল ৬টা পর্যন্ত বিধবাদের জেএল ১৭, এসএ খতিয়ান নং ৩০৯ এর ২৩২০, ২৩২১ নং দাগ সমূহের জমিতে থাকা ১০টি রেন্ট্রি গাছ কেটে নেয়। অবৈধভাবে কাটা গাছ সমূহ উদ্ধারের জন্য উক্ত মামলা আনায়ন করেন এড.জাহাঙ্গীর হাওলাদার।