আজ রবিবার কলাপাড়ায় অর্ধদিবস হরতাল

0

সোলায়মান পিন্টু,কলাপাড়া প্রতিনিধিঃ  পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় নিরবচ্ছিন্ন বিদু্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. লিয়াকত আলী খান, পরিচালক জিসান হায়দার আলমগীরসহ দূর্ণীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অপসারণের দাবিতে উপজেলা সদরে আজ রবিবার সকাল ৬ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত অর্ধদিবস হরতাল ডাকা হয়েছে। কলাপাড়া নাগরিক অধিকার সংগ্রাম কমিটি এই হরতালের ডাক দিয়েছে। এদিকে হরতাল সফল করতে গত দু’দিন ধরে শহরে মাইকে প্রচার চালানো হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত এক মাস ধরে কলাপাড়া উপজেলা সদরে বিদ্যুৎ থাকেনা। বিদ্যুৎ আসলেও আবার মুহুর্তের মধ্যে চলে যায়। প্রচন্ড গরমে জনজীবন অতীষ্ঠ হয়ে উঠেছে। এ নিয়ে গ্রাহকরা কয়েকদফা সমাবেশ এবং বিক্ষোভ মিছিল করেছে। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার রাতে বিক্ষুব্ধ গ্রাহকরা মিছিল করে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কার্যালয়ে হামলা চালায়। হামলাকারীরা ভাংচুর করে সমিতির কার্যালয়ের ক্ষতিসাধন করেছে। বিদ্যুৎ গ্রাহকরা কলাপাড়া নাগরিক অধিকার সংগ্রাম কমিটির ব্যানার থেকে বিদ্যুৎ বিভাগকে আল্টিমেটাম দিলেও গত দু’দিনে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। যার ফলে হরতাল কর্মসূচি ঘোষনা করা হয়েছে। তাছাড়া হরতাল কর্মসূচি সফল করতে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড কার্যালয় চত্বরে শনিবার বিকেলে জরুরী সভাও আহবান করা হয়েছে।

কলাপাড়া নাগরিক অধিকার সংগ্রাম কমিটির চেয়ারম্যান এবং কলাপাড়া মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার হাবিবুল্লাহ রানা বলেন, বিদ্যুৎ নিয়ে সরকারের সফলতা কতিপয় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কারণে ম্লান হয়ে যাচ্ছে। আমরা জানতে চাই কলাপাড়ায় বিদ্যুতের অতিরিক্ত লোড শেডিং কেন  দেয়া হচ্ছে। আমরা বার বার বললেও বিদ্যুৎ বিভাগ কোনো ধরণের পদক্ষেপ নিচ্ছেনা। যার ফলে বাধ্য হয়েই হরতালের মত কর্মসূচি দিতে হয়েছে।

কলাপাড়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. লিয়াকত আলী খান বলেন, ১৮টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র বসে যাওয়ায় লোড শেডিং বেশী হচ্ছে। উৎপাদন ভাল হলে এমন পরিস্থিতির উন্নতি হয়ে যাবে। তিনি আরো বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে এক ধরণের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তাছাড়া এ নিয়ে হরতালের মতো কর্মসূচি  দেওয়া খামখেয়ালী ছাড়া আর কিছুই নয় বলে আমি মনে করি।