আমতলীতে  একের পর এক মামলায় জর্জড়িত একটি পরিবার

6

কে এম সোহেল,আমতলী প্রতিনিধিঃ  বরগুনার আমতলীতে  জমি জমা  বিরোধে  একের পর এক মামলায় জর্জড়িত হয়ে পড়েছে একটি পরিবার  । সরেজমিনে  জানা যায় , ও  সাব কবলা দলীলে দেখা যায় ,উপজেলার কুকুয়া ইউনিয়নের কুকুয়া গ্রামের   মোঃ রাজ্জাক হোসেন রাজা মুছুল্লী, শাহ আলম মুছুল্লী গং জেলা বরগুনা ষ্টেশন সাব-রেজিষ্টার আমতলী জে.এল ১৪ নং কৃষ্ণনগর মৌজার এস,এ ৭২ নং খতিয়ানের ৩৫৩৬/৩৫৩৫ নং দাগ দিয়া ৬২ শতাংশ সম্পত্তি কবলা মূলে খরিদ করে যাহার দলিল নং ৫৬০২ রেজিঃ এবং ২৭/১২/২০১০ দাতা আজিজুল হক সহ ৪জন। একই জেলা একই স্টেশন একই জে.এল একই মৌজার এস.এ ৩৬৯ নং খতিয়ানের ও ৩৫৩৬/৩৫৩৫ নং দাগ দিয়া ৩০ শতাংশ জমি  জয়নাল বয়াতীর  চাচা মোঃ মুনসুর আলী মুছুল্লী ধলু গাজীর নিকট থেকে কবলা মূলে খরিদ করেন। যাহার দলিল নং ৩৩১ রেজিঃ তাং ২৬/০১/১৯৮২ সালের কবলা দলিল মুলে ভোগ দখল করিয়া আসিতেছে।

কিন্তু একই এলাকার মোঃ হানিফ মুছুল্লী নাসির মুছুল্লী ,সুলতান মুছুল্লী,নাইম মুছুল্লী, অসৎ উদ্দেশ্যে চরিতার্থ করার জন্য মো. জয়নাল বয়াতীর  আত্মীয়দের কবলা কৃত সম্পত্তিতে জোর পূর্বক ঘর উত্তোলন করিতে গেলে  জয়নাল বয়াতীর আত্মীয়রা  বাধা নিষেধ করিতে গেলে হানিফ মুছুল্লি  গংরা  মার ধর করে।

কিন্তু এ ঘটনা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য  মিথ্যা ঘটনা সাজাইয়া হানিফ মুছুল্লী বাদী হইয়া দঃ বিঃ ১৪৩/৪৪৭/৩২৩/৩২৫/৩২৬/৩০৭/৩৭৯/৫০৬/১১৪ ধারা মতে আমতলী থানায়  জয়নাল বয়াতী ও তার আত্মীয়দের বিরদ্ধে এজাহার দায়ের করেন যাহা আমতলী থানার মামলা নং ০১ তাং ০১/০৪/২০১৭ ইং আমতলী বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্টেট আদালতে মামলা নং জি আর ১১৫/১৭ (আমতলী ) অতপর নাসির মুছুল্লীর স্ত্রী মোসাঃ ডলি বেগমকে বাদী করিয়া মোকাম বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল বরগুনা আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমণ আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩) এর ৯(৩)/৩০ ধারা মতে মামলা করে যাহার এম পি মামলা নং ২২৬/২০১৭ যাহা আমতলী থানায় তদন্তাধীণ আছে।  এ ব্যাপারে   মামলার বাদী হানিফ মুছুল্লী  মুঠোফোনে তার বিরুদ্ধে  আনা অভিযোগ অ-স্বিকার করেন। হানিফ মুছুল্লির দায়েরকৃত মামলার তদন্ত কর্মকর্তা  এস আই মাসুদ বলেন মামলার তদন্ত চলছে ।

ডলি বেগমের দায়েরকৃত নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার  তদন্ত কর্মকর্তা  আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) বলেন ,মো. নুরুল ইসলাম বাদল মুঠোফোনে জানান  মামলাটির তদন্ত   চলছে ।  তদন্ত শেষ হলে কোর্টে প্রতিবেদন দেয়া হবে।