আমতলীতে দুই শতাধিক ফলের গাছ কেটে ফেলল প্রতিপক্ষ

1

কে এম সোহেল, আমতলী  প্রতিনিধিঃ  আমতলীর পশ্চিম চিলা গ্রামের রিপন সিকদারের জায়গা  জোর করে দখলে নেওয়ার জন্য তার চাচা আমিরুল সিকদারের বিরুদ্ধে  লোকজন নিয়ে রবিবার সন্ধ্যায়  দুই শতাধিক ফলের গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

গ্রামবাসী সূত্রে জানা গেছে, হলদিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম চিলা গ্রামের রিপন সিকদার ২০১৩ সালে তার চাচা ধলু সিকদারের নিকট থেকে ১০ শতাংশ জায়গা ক্রয় করে কবলা সূত্রে মালিক হন। মালিকানার পরপরই ওই জায়গায় একটি মাছের ঘের করে মাছ চাষ করেন এবং ঘেড়ের পাড়ে আম, লেবু পেয়ারা, কলা, নারিকেল, কাঁঠালসহ বিভিন্ন প্রজাতির ফলের গাছ লাগান। রিপনের আরেক চাচা আমিরুল সিকদার ওই জায়গা তার দাবী করে রবিবার সন্ধ্যায়  ১০-১৫ জন লোক নিয়ে ঘেড়ের পারে রিপনের লাগানো ৫ থেকে ৬ ফুট উচ্চতার আম, কাঠাল, নারিকেল, পেয়ারা, লেবু কলাগাছসহ দুই শতাধিক ফলের গাছ কেটে ফেলেন।   লাউ এবং সিমের গাছ গোড়াসহ তুলে ঝাকা ভেঙ্গে ঘেড়ের পানিতে ফেলে দেন। এছাড়া ঘেড়ে থাকা প্রায় ৫ হাজার টাকা মূল্যের মাছ ওষুধ ছিটিয়ে ধরে নিয়ে যাওয়ারও অভিযোগ পাওয়া গেছে। রিপন সিকদার বলেন, তার বড় চাচা ধলু সিকদারের নিকট থেকে ২০১৩ সালে ১০ শতাংশ জায়গা ক্রয় সূত্রে মালিক হয়েছেন। মালিকানার পর ওই জায়গায় ঘেড় করে মাছ চাষ করেছি। অহেতুক বিরোধ সৃষ্টির জন্য তার আরেক চাচা আমিরুল সিকদার জোরপূর্বক ওই জায়গা দখলে নেওয়ার জন্য ১০-১৫ জন লোক নিয়ে রবিবার সন্ধ্যায় প্রায় দুই শতাধিক ফলের গাছ কেটে ফেলে এবং ঘেড়ের মাছ ধরে নিয়ে যায়।

অভিযুক্ত আমিরুল সিকদারের সাথে যোগাযোগ করেও পাওয়া যায়নি। তার মেয়ে রুমা বেগম  গাছ কাটার বিষয়টি স্বীকার করে বিরোধীয় ওই জায়গা তাদের দাবী করেন। আপনাদের জায়গা হলে কেন গাছ কেটেছেন এ প্রশ্নের কোন উত্তর দিতে পারেনি রুমা। স্থানীয় বয়োজেষ্ঠ্য আজাহার সিকদার বলেন, ‘বাবা মোর জম্মেও এরহম তান্ডব দেহি নাই’। আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ  মো: সহিদ উল্লাহ জানান, ফলের গাছ কাটার অভিযোগে রবিবার রাতে মোতাহার সিকদার বাদী হয়ে থানায় অভিেেযাগ দাখিল করেছে। এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে  আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।