আমতলীতে বসত ভিটা ও ঘর দখল

0

কে এম সোহেল,আমতলী ঃ বরগুনার আমতলী উপজেলার ঘোপখালী গ্রামে বসত ভিটা ও ঘর জবর দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় আমতলী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে হুমায়ুন কবির, মোসাঃ মনিজা বেগম ও মহসিন কে আসামী করে মোসাঃ নুরুন্নাহার বেগম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলাটি আমলে নিয়ে বিচারক আমতলী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ মজিবুর রহমানকে তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য নির্দেশ প্রদান করেছেন।

মামলা সূত্রে ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘোপখালী মৌজার এসএ ৬০৫নং খতিয়ানের ১/৩ অংশের মালিক মোবারক হাওলাদার এর নিকট থেকে নুরুন্নাহারের মাতা মৃতঃ নুরজাহান বেগম ১৯/০৩/১৯৭৩ ইং তারিখে ৭৩০নং সাব কবলা দলিল মূলে ১.৩৩ একর জমি ক্রয় করেন এবং বরগুনা সাব রেজিষ্ট্রী অফিসে সাব কবলা দলিল মুলে ভুমি অফিসে এম/সি৮৬৭-এ ৭৩/৭৪নং মিউটেশন কেসের আদেশ বলে নিজ নামে রেকর্ড সংশোধন করেন। নিয়মিত খাজনা পরিশোধ করে খতিয়ানের অপরপর শরিকদের সাথে আপোষ বন্টনমতে চৌহদ্দি সহকালে ৫১৪১/৫১৪২/৫১৪৩/৫১৪৫/৫১৪৭/৫১১৭/৫৩১৮ নং দাগ সমূহে নিজস্ব আইল সীমানা নির্ধারণ করে পুকুর কেে মাটি ভরাট করে বসতবাড়ি ও ৫১৪১নং দাগে উত্তর ভিটিতে বসত ঘর নির্মান করে বনজ ও ফলজ গাছ রোপন করে ১৯৭৩ সাল থেকে ৪২ বছর পর্যন্ত ভোগ দখল করে আসছেন। ২৪/০৮/১৯৭৮ ইং তারিখে বরগুনা সাব রেজিষ্ট্রী অফিসের মাধ্যমে ৫৬৬৭ ও ৫৬৬৮নং হেবা বিলএওয়াজ দলিল মুলে নুরজাহান বেগম তার ছেলে নিজাম উদ্দিন ও মোঃ নুরুন্নহার বেগম এর নামে ৬৬ শতাংশ তুল্যাংশে হস্তান্তর করেন। আমতলী ভুমি অফিস ১৯৯৩-৯৪ সনে তাদের নামে যথারীতি রেকর্ড সংশোধন করা হয়। ঘরের মালিক নুরুন্নাহার ঢাকা এবং তার স্বামী এ.কে.এম আমজাদ হোসেন বরগুনায় অবস্থান করছিল। এ সুযোগে ফাকা বাড়ি পেয়ে ৩ সেপ্টেম্বর’১৫ তারিখ বিকেলে ঘরের তালা ভোঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে ঘরের ভিতর থাকা বিভিন্ন মালামাল লুন্ঠন করে ও ঘরে অবস্থান নেয়। নুরুন্নাহারের স্বামী আমজাদ হোসেন ঘটনা শুনে তার বসত ভিটায় গেলে তারা তাকে জীবন নাশের হুমকি দেয়। বর্তমানে নুরুন্নাহার ও তার স্বামী আতংকের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। ##