আমতলীতে হাত ও শরীর থেতলে দিয়েছে দেনাদার

1

আমতলী  প্রতিনিধি ঃ আমতলীর কুকুয়া গ্রামে মঙ্গলবার দুপুরে পাওনা টাকা চাওয়ার অপরাধে কুলসুম (৪৫) নামে এক নারীকে দেনাদার এবং তার স্বজনরা মিলে বেধরক মারধর করে ইট দিয়ে হাত শরীর থেতলে দিয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা  উদ্ধার করে তাকে আমতলী হাসপাতালে ভর্তি করে।

আহত কুলসুমের স্বামী আ: আজিজ তালুকদার জানান, আজিমপুর গ্রামের মো: সেলিম মিয়ার ছেলে মো: ফেরদৌস মিয়া তিন সপ্তাহ আগে স্ত্রী কুলসুম বেগমের নিকট থেকে ২ হাজার টাকা ধার নেয়। ধারের  টাকা চাইতে গেলে  বিভিন্ন সময়ে ফেরদৌস আজ নয় কাল দেব বলে ঘোরাতে থাকে। মঙ্গলবার দুপুরে কুলসুম বেগম আজিমপুর গ্রামের ফেরদৌসের বাড়িতে ধার নেওয়ার  টাকা চাইতে গেলে সে টাকা না দেওয়ার হুমকি দিয়ে বাড়ি থেকে বেড় হয়ে যেতে বলে। এনিয়ে কুলসুম বেগমের সাথে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে ফেরদৈৗস এবং তার বাবা সেলিম মিয়া মা ফিরোজা বেগম, ভাই কুদ্দুস মিয়া একত্রিত হয়ে কুলসুম বেগমকে বেধরক মার ধর করে। মার ধরের এক পর্যায়ে বাড়িতে থাকা ইট দিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় এবং বাম হাত থেতলে দেয়। হামলার সময় কুলসুমের ডাক চিৎকার শুনে স্থানীয়রা কুলসুমকে উদ্ধার করে আমতলী হাসপাতালে এনে  ভর্তি করে। প্রতিবেশী খবির মীরা বলেন, কুলসুমকে আহত অবস্থায়  ফেরদৌসের বাড়ির উঠানে পড়ে থাকতে দেখে আমরা কয়েকজন মিলে  তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে আসি। গুরুতর আহত কুলসুম জানান, মুই কি দোষ হরছি। ট্যাহা পামু চাইতে যাওয়ায় শয়তানেরা আমারে ইট দিয়া মাথা ও হাত থেতলে দেছে। আমি ওগো বিচার চাই। আমতলী হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসা সহকারী গৌরাঙ্গ হাজরা জানান, কুলসুমের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় এবং বাম হাতে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পুলুক চন্দ্র রায় জানান, মারধরের খবর পেয়েছি। এখনো কেউ অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।