আমতলী ও তালতলীতে প্রতিমা তৈরীতে ব্যস্ত কারুশিল্পীরা

0

কে এম সোহেল,আমতলী প্রতিনিধিঃ  আমতলীতে হিন্দু  ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দূর্গপুজা উপলক্ষে প্রতিমা তৈরীতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন শিল্পীরা। শারদীয় দূর্গাপুজার এখনো প্রায় ১১ দিন বাকি থাকলেও প্রতিমা গড়ার কাজ এগিয়ে চলছে। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসবকে ঘিরে উপজেলার হিন্দু পাড়াগুলোতে আগাম শারদীয় উৎসবের আমেজ লক্ষ্য করা গেছে। আমতলী ও তালতলী উপজেলার ১৪ টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার ২৪টি  মন্ডপে  এবছর পূজা অনুষ্ঠিত হবে।  পুজার জন্য পুরোদমে কাজ শুরু করে দিয়েছেন কারিগররা। কোনো কোনো পুজা মন্ডপে প্রতিমা তৈরির পাশাপাশি সাজ সজ্জার কাজ ও শুরু হয়েছে।

আগামী ৭ অক্টোবর থেকে ৫দিন ব্যাপী সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বড় ধর্মীয় দুর্গা পুজা শুরু হবে। স্থানীয় কারিগর ছাড়াও বিভিন্ন স্থান থেকে এখানে এসে গড়ে তুলছে মাটির প্রতিমা। প্রতিটি পূজা মন্ডপের জন্য তৈরী করা হচ্ছে দূর্গা, সরস্বতী, লক্ষী, কার্তিক, গনেস, অসুর, সিংহ, মহিষ, সর্পসহ প্রায় ১১টি প্রতিমা। পৌর সভার ৭ নং ওয়ার্ডে শ্রী শ্রী রাধা কৃষ্ণ মন্দিরে প্রতিমা তৈরী করতে এসেছেন শাখারিয়া থেকে গোবিন্দ ও প্রান গোপাল। বাপ দাদার সাথে কাজ করতে করতে এ কাজ শিখেছেন বলে তিনি জানালেন। তিনি আরো জানান, এবছর বিভিন্ন জায়গার ১৯ টি পুজার প্রতিমা তৈরির কাজ নিয়েছেন। আমতলীর ৭ নং ওয়ার্ডে শ্রী শ্রী রাধা কৃষ্ণ মন্দিরের প্রতিমা তৈরী করতে ৫০ হাজার টাকা নিয়েছেন বলেও জানান। আর এ সকল প্রতিমা তৈরির কাজ প্রায় দের মাস আগে শুরু করেছেন। আমতলীর ৪নং ওয়ার্ডের সার্বজনীন কেন্দ্রীয় পুরাতন দুর্গা মন্দিরের প্রতিমা তৈরী করতে গোপালগঞ্জ থেকে এসেছেন গৌতম ও কৃষ্ণ পাল। তার বাপ দাদাও এ পেশায় কাজ করেছেন। তাদের হাত ধরেই এ পেশায় এসেছেন বলে জানান। এ বছর প্রায় ২৫টি মন্ডপের দুর্গা প্রতিমা তৈরির কাজ নিয়েছেন। দের থেকে দু মাস আগে প্রতিমা তৈরির কাজ শুরু করে বর্তমানে খুব ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন বলে তিনি জানান। কারিগড়দের পাশাপাশি প্রতিটি মন্ডপের পুজা উৎযাপন কমিটিও ব্যস্ত সময় পার করছেন। বন্দরের সার্বজনীন কেন্দ্রীয় পূজা উৎযাপন কমিটির সভাপতি ধীরাজ কুমার বিশ্বাস বলেন, সকল আয়োজন প্রায় শেষের পথে। এবছর আমরা দূর্গাপূজাকে উৎসবে পরিনত করতে চাই।

আমতলী উপজেলা পূজা উৎযাপন পরিষদের সভাপতি এ্যাডভোকেট হরিহর চন্দ্র দাস জানান, এ বছর আমতলীতে ঘট পূজা সহ ১৪ টি মন্ডপে দূর্গা পুজা অনুষ্ঠিত হবে। ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন এ বছর শারদীয় দুর্গোৎসব পালন করবে বলেও তিনি জানান।