আমতলী পৌরসভার নির্বাচন নিয়ে ধুম্রজাল         হতাশ ভোটাররা

7

 

কে এম সোহেল,আমতলী  প্রতিনিধি : ঘোষিত ২৩৪ টি পৌরসভার তফসিলে আমতলী পৌরসভার নাম না থাকায় আমতলী পৌরবাসীর মনে হতাশা দেখা দিয়েছে। কবে নাগাদ আমতলী পৌরসভার নির্বাচন হবে এ নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে ধুম্রজাল । বিশস্ত  সূত্রে জানাগেছে  আমতলী পৌরসভা দ্বিতীয় শ্রেনী থেকে প্রথম শ্রেনীতে উন্নীত হওয়ায় পৌর এলাকা সম্প্রসারনের জন্য আমতলী সদর ইউনিয়নের ১ নং ওর্য়াডের কিছু অংশ এবং চাওড়া ইউনিয়নের কিয়দাংশ পৌরসভার মধ্যে সংযোগের জন্য নির্ধারন করা হয়। প্রস্তাবিত দুই ইউনিয়নের  এলাকা পৌরসভায় সম্পৃক্ত করার বিষয়ে আমতলী সদর ইউনিয়নের খুড়িয়ার খেয়াঘাটের বাসিন্দা মো. সামসু মিয়া  মহামান্য হাইকোকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করেন। মহামান্য হাইকোর্ট বিষয়টি আমলে নিয়ে ৬ মাসের জন্য পৌর নির্বাচন স্থগিতের আদেশ প্রদান  করেন। এদিকে স্থাগিতাদেশ নিয়ে পৌরবাসীর মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ-কেউ এ রিটের ব্যাপারে বর্তমান  মেয়র মতিয়ার রহমানকে দায়ী করছেন। অনেকে মনে করেন মেয়র মতিয়ার রহমান তার ক্ষমতাকে দীর্ঘায়িত করার জন্য পরিকল্পিতভাবে সামসু কে  দিয়ে এই রিটটি করিয়েছেন। পৌরসভা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হওয়ার পূর্বে আমতলী পৌরবাসীর মনে নির্বাচন নিয়ে যে আলোচনা, আনন্দ, উল্লাস চলছিল তা এখন স্থবির হয়ে পরেছে। পৌরবাসী হতাশাগ্রস্থ হয়ে পরেছেন। ০৬ মাস পর নির্বাচন হবে কিনা তা নিয়েও সংশয় দেখা দিয়েছে। নির্বাচন পিছিয়ে যাওয়ার বিষয়ে সাবেক মেয়র নাজমুল আহসান নান্নু উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, তিনি বলেন “পৌরবাসী ০৫ বছর পর নির্বাচনে ভোট প্রদানের জন্য অধির আগ্রহে অপেক্ষা করছিল। যারা এ নির্বাচনকে পিছিয়ে দেয়ার জন্য কাজ করেছেন তাদের জনগনের সামনে জবাব দিহি করতে হবে।” আমতলী পৌরবাসী সময়মত নির্বাচন চায়। ৫ বছর পর তারা তাদের পছন্দের প্রার্থীদের নির্বাচিত করবেন এটা স্বাভাবিক।

আমতলী পৌরসভার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভোটার জানান আমতলী পৌরসভায় বিগত পাঁচ বছরে  কোন উন্নয়ন হয়নাই। এ পৌরসভা প্রথম শ্রেনীর মর্যাদা পাওয়ার মত নয় । ছলেবলে কৌশলে বর্তমান মেয়র এ টা করেছেন।  গত কয়েক দিন পূর্বে বর্তমান মেয়র মতিয়ার রহমানের দূনীর্তির সংবাদ বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ায় ভোটের রাজনীতিতে তার অবস্থা বর্তমানে নাজুক । তাই পরিকল্পনা মোতাবেক পৌরসভার নির্বাচন বন্ধ করা হয়েছে বলে ভোটাররা মনে করেন।