ইফতার সামগ্রীতে  ভেজাল স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে আমতলী ও তালতলী বাসী

0

 

কে এম সোহেল ,আমতলী প্রতিনিধিঃ বরগুনার আমতলী ও তালতলীতে রমজানের শুরুতেই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ইফতার সামগ্রী তৈরি করে খোলা বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে। বা রেস্টুরেন্টে ইফতার সামগ্রীতে ব্যবহার করা হচ্ছে অস্বাস্থ্যকর রাসায়নিক কেমিক্যাল।পেঁয়াজু, খেজুর, জিলাপিসহ সব ধরনের সামগ্রীতে মেশানো হচ্ছে ভেজাল। জানা যায়, ইফতার সামগ্রীতে অতিমাত্রায় মেশানো হচ্ছে বিভিন্ন বিষাক্ত রং, ফরমালিন, রাসায়নিক কেমিক্যাল, পুরনো তেল ও মবিল। এসব খাদ্য সামগ্রী তৈরি হচ্ছে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে।এসব ভেজাল ইফতারি খেয়ে অনেকেই পেটের পীড়াসহ বিভিন্ন ধরনের রোগব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছেন। ইফতারের বাজারে ভয়াবহ মাত্রায় ভেজাল সমারহ হলেও সংশ্লিষ্ট দফতরগুলো দর্শক হয়ে বসে আছে। মূলত ভেজালবিরোধী অভিযান পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউট (বিএসটিআই), কিন্তু রোজা উপলক্ষে ভেজাল তৎপরতা অবিশ্বাস্য রকম বেড়ে গেলেও এসব সংস্থার তৎপরতা নেই। ফল বিক্রেতারা ফরমালিন মেশাচ্ছে নির্বিচারে। ইফতার সামগ্রীর মধ্যে প্রধান পণ্য হচ্ছে খেজুর। পচনের হাত থেকে রক্ষা করতে ফরমালিন, আর রং উজ্জল দেখাতে দেয়া হচ্ছে সরিষা তেল। জিলাপিকে দীর্ঘক্ষণ মচমচে রাখতে ভোজ্যতেলের সঙ্গে ব্যবহার করা হচ্ছে মবিল। জিলাপিতে বিষাক্ত কেমিক্যালের পাশাপাশি দেয়া হচ্ছে বাসন্তী রং। ফলে সাধারণ জিলাপি থেকে এসব জিলাপি বেশি উজ্জ্বল দেখাচ্ছে এবং দীর্ঘক্ষণ মচমচে থাকছে।

ইফতার সামগ্রীর মধ্যে কোনো অংশেই কম খাওয়া হচ্ছে না মুড়ি। এই মুড়িকে ধবধবে সাদা করতে ব্যবহার করা হচ্ছে রাসায়নিক সোডিয়াম হাইড্রো সালফাইড। আর মুড়ির ধানা বড় বড় করতে ব্যবহার করা হচ্ছে রাসায়নিক সার। বেগুনি, পেঁয়াজু ও আলুরচপ দৃষ্টি আকর্ষণ করতে ব্যবহার করা হচ্ছে বিভিন্ন বিষাক্ত রং। বেগুনের দাম বেশি থাকায় বেগুনির ভেতরে দেয়া হচ্ছে অন্যান্য সবজি। বিভিন্ন প্রকার ফলে দেয়া হচ্ছে ফরমালিন। মিষ্টি জাতীয় দ্রব্যকে আরও বেশি মিষ্টি করতে ব্যবহার করা হচ্ছে স্যাকারিন। রেস্টুরেন্টগুলোতে কয়েক দিনের পুরনো তেলে ভাজা হচ্ছে বেগুনি, আলুর চপ ও পেঁয়াজু। এছাড়া শহরের অধিকাংশ দোকানে বিক্রি হচ্ছে রাসায়নিক কেমিক্যাল মিশ্রিত ফল।  কেমিক্যাল ব্যবহার করে দ্রুত পাকিয়ে এসব পণ্য বাজারে ছাড়া হচ্ছে।