ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড পটুয়াখালী শাখার উদ্যোগে পল্লী উন্নয়ন প্রকল্পের মেধাবী সন্তানদের শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

17

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ আদর্শ গ্রাম বাংলাদেশের প্রাণ,আদর্শ গ্রাম ইসলামী ব্যাংক – এই শ্লোগান নিয়ে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড পটুয়াখালী শাখার উদ্যোগে পল্লী উন্নয়ন প্রকল্পের মেধাবী সন্তানদের শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।

শনিবার বিকেল ৪টায় ইসলামী ব্যাংক জেলা শাখা ভবনের হল রুমে অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্য রাখেন য় ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড পটুয়াখালী শাখার এসিষ্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট এন্ড হেড অব ব্রাঞ্চ মোঃ নূরুজ্জামান। অনুষ্ঠানে আরডিএস‘র জুনিয়র ইউনিট কর্মকর্তা নুর হোসেন এর সঞ্চালনে অনুষ্ঠানে পল্লী উন্নয়ন প্রকল্প এববং ব্যাংকের কার্যক্রম নিয়ে স্বাগত বক্তব্য রাখেন পল্লী উন্নয়ন প্রকল্প (আরডিএস) প্রজেক্ট কর্মকর্তা আব্দুল কুদ্দুস খান। এছাড়া বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিথির বক্তব্য রাখেন সরকারি জুবলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ছিদ্দিকুর রহমান খান, জেলা পরিষদের সদস্যা সালমা জাহান, সদর উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা শিরিন আক্তার।

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড পটুয়াখালী শাখার উদ্যোগে পল্লী উন্নয়ন প্রকল্পের সদস্যদের সন্তানদের থেকে বাছাইকৃত ১০৭ জন মেধাবী ছাত্র/ছাত্রীদেরকে শিক্ষা উপকরন যেমন স্কুলব্যাগ, ক্যালকুলেটর, পেনসিল বক্স, টিফিন বক্স, খাতা-কলম সহ অন্যান্য শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়।

সমন্বিত প্রায়াসের মাধ্যমে আদর্শ গ্রাম উন্নয়ন এবং পল্লী অর্থনীতিকে সক্রিয় করণের লক্ষ্যকে সামনে রেখে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিঃ ১৯৯৫ সালে এ প্রকল্প শুরু করে। আমাদের পটুয়াখালী শাখায় দুই হাজার সাল থেকে আমরা পল্লী উন্নয়ন প্রকল্প কার্যক্রম চালিয়ে আসছি।

বিনিয়োগের মাধ্যমে আয় বর্ধক ও আত্মকর্ম সংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির জন্য পল্লী এলাকার উন্নয়ন এবং এর মাধ্যমে গ্রামীণ দারিদ্র বিমোচনে অবদান রাখা। প্রধান কার্যালয়ের পরিকল্পনা হলো ২০২০ সাল নাগাদ বাংলাদেশের সকল গ্রামে এ প্রকল্পের সুযোগ সুবিধা পৌঁছে দেয়া। তার আলোকে বর্তামানে আমাদের সামাজিক কার্যক্রমের সদস্যদের মেধাবী সন্তানদের শিক্ষা উপহার যেমন ১ম শ্রেণী থেকে ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত ১ম ২য় ও ৩য় স্থান অধিকারী ছাত্রদেরকে শিক্ষা উপকরণ বা নগদ অর্থ প্রদান করা এবং সমাপনী পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ও মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় জিপিএ -৫ প্রাপ্ত ছাত্রদেরকে শিক্ষা বৃত্তি প্রদান করা হয়। বর্তমানে প্রতি শাখায় ১টি/২টি করে প্রাক প্রাইমারী স্কুল ও ১টি/২টি করে মক্তব পরিচালিত হচ্ছে। এ ছাড়াও বয়স্ক শিক্ষার জন্য একটি বয়স্ক শিক্ষা কেদ্র প্রতিষ্ঠা করা হবে।