এ্যাকটিভ সিটিজেন ইয়ুথ লিডারশিপ অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা

3

স্টাফ রিপোর্টারঃ কোস্টাল এনজিও ফোরাম  সিএনএফ  আয়োজনে  স্টেফস টুয়ার্ডস ডেভেলপমেন্ট  সংস্থার  আর্থিক সহযোগীতায় পটুয়াখালীতে এ্যাকটিভ সিটিজেন ইয়ুথ লিডারশিপ অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার সকাল ১১টায় অনির্বান সমাজ উন্নয়ন সংস্থার কার্যালয়ে সিএনএফ  সভাপতি এ.এইচ.মুনসুর  এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জিসিএ সভাপতি শ. ম দেলোয়ার হোসেন দিলিপ। বিশেষ অতিথি হিসেব উপস্থিত ছিলেন জিসিএ সদস্য সচিব সুফিয়াকামাল ফেলোও  সৈয়দ মোফাজ্জেল হোসেন, সদস্য সুলতানা পারভীন, মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন  সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার স্টেফস টুয়ার্ডস ডেভেলপমেন্টএর প্রতিনিধি সাজ্জাদ হোসেন খান । এছাড়া অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন  এ্যাকটিভ সিটিজেন ইয়ুথ লিডারশিপ মিলন দাস । সভায় আগামী ৬ মাসের পরিকল্পনা করেন নিরাপদ সড়ক ইস্যু নিয়ে কাজ করবেন তারা । এছাড়া গত ১৯ ও ২০জুন সিএনএফ এর জিডিআরসি হলরুমে সুফিয়া কামাল ফোলো ও জিসিএ ও প্রান্তিক নারী দল নিয়ে এক সভা  অনুষ্ঠিত করার সিদ্ধান্ত হয় ।  অনুষ্ঠানটি সার্বিকভাবে পরিচালনা করেন সিএনএফ’র ফিল্ড  অফিসার মোঃ শহীদুল ইসলাম ও অনির্বান সমাজ উন্নয়ন সংস্থা ফিল্ড অফিসার মোঃ রাকিবুল আমিন।

দশমিনা হাট-বাজার ডিসিআর না দেয়ায় লাখ

লাখ টাকা রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার

দশমিনা সংবাদদাতাঃ পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার হাট-বাজারে সরকারী জমি দখলকারী শত শত দোকান ব্যবসায়ীরা ডিসিআর ছাড়া চালাচ্ছে ব্যবসা-বানিজ্য। সরকার হারাচ্ছে প্রতিবছর লাখ লাখ টাকার রাজস্ব।

ভূমি অফিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নেতাকর্মীদের প্রভাবে দশমিনা উপজেলায় হাট-বাজারে অবৈধভাবে সরকারী জমি দখল করে নির্মাণ করে শত শত দোকানপাট। তথাকথিত পজেশন দেয়ার নামে হাতিয়ে নেয়া হয়েছে লাখ লাখ টাকা। কতিপয় প্রভাবশালী নেতা দোকান ঘর তুলে ভারাটে ( দোকান ভারা দেয়ার ব্যবসা) করে আসছে। ফলে সরকার হারাচ্ছে লাখ লাখ টাকার রাজস্ব, এদিকে প্রকৃত ব্যবসায়িরা হাটবাজারগুলোতে সরকারি জমি বরাদ্দ না পেয়ে ফুটপাতে ব্যবসা করে আসছে। ফলে সাধারন পথচারীদের চলা ফেরায় ব্যাপক সমস্যায় পড়তে হয়। ঐসব  নেতাদের অবৈধ দখল নেয়া দোকান ঘর ভারা নিয়ে অনেকে ব্যবসা করে আসছে। ভূমি অফিসে কতিপয় কর্মকর্তা কর্মচারী ও তথাকথিত নেতাদের উৎকোচের টাকা দিতে না পাড়ায় পজেশন না পেয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ ফুটপাতে ব্যবসা করে আসছেন মোকলেচ, হানিফ , জাকির ও মোসলেম মহল্লাদার,সহ শতাধিক ব্যবসায়ী। উপজেলা সদর বাজারের খালেক মৃধার দোকানের সামনে ফুটপাতে ব্যবসা করা মোসলেম ক্ষোভের সাথে বলেন, বঙ্গ বন্ধুর প্রেমিক আমি, টাকা দিয়া সরকারি জায়গার দরকার নাই।  ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করে বলেন, এই অপকর্মের নেপথ্য ভূমিকা পালন করে সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিস ও ভূমি দালালরা। ভূমি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ছ’টি ইউনিয়নে বর্তমানে এক হাজারেরও অধিক দোকানপাট রয়েছে। শুধুমাত্র উপজেলা সদর ইউনিয়নের দু’টি বাজারে দোকান ৪শ’ ৩টি। উপজেলা সদর বাজার ডি,এন,সি নামে পরিচিত। অর্থাৎ ডি”তে দশমিনা, এন” নলখোলা ও সি”তে চরহোসনাবাদ। উপজেলা সদর বাজারে ৩শ’র মধ্যে ২৩০টি ও আরজবেগী বাজারের ১৩৩টির মধ্যে মাত্র ১২টির দোকানের একসোনা বন্দোবস্ত (ডিসিআর) রয়েছে। সদরে ৭০টি ও আরজবেগীর ১২১টি দোকানের বৈধ কাগজপত্র নেই। উপজেলার অন্যান্য বাজারে আরও ৫শ’ ৬৭টি দোকান রয়েছে। এদিকে, ভূমি অফিস চান্দিনা ভিটি অনুমোদনের জন্য দু”বছর আগে ৫৬টি কেস জেলা প্রশাসকের বরাবরে পাঠালে গত বছর ওই কেসগুলো পূণ:তদন্তের কথা বলে ফেরত দিয়েছে। অথচ্ ২৪২টি দোকান মালিক বৈধ কাগজপত্র নিয়ে ব্যবসা করলেও বাকিদের কোন বৈধতা নেই। সংশ্লিষ্ট অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলা সদর বাজারে প্রতিটি দোকান ২০ বর্গ মিটার ১ হাজার টাকা, সদর ব্যতিত অন্যান্য হাট-বাজারে দোকান প্রতি ২৬০ টাকা ফি বছর রাজস্ব আদায় এবং দেয়ার নিয়ম রয়েছে। উপজেলা সদরের ৭০টি দোকানে প্রতি বছর ৭০ হাজার টাকা ও অন্যান্য বাজারের ৬৮৮টি দোকানে এক লাখ ৭৮ হাজার ৮শ’ ৮০ টাকা রাজস্ব থেকে সরকার প্রতি বছর বঞ্চিত হচ্ছে। মোট ২ লাখ ৪৮ হাজার ৮শ ৮০ টাকার রাজস্ব থেকে সরকার বঞ্চিত হচ্ছে। ২০০৯ সাল থেকে অদ্যবধি দীর্ঘ ৭ বছর জেলা প্রশাসকের দৃষ্টি না থাকায় সরকার ১৪ লাখ ৯৩ হাজার ২শ’ ৮০ টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে। এদিকে, হাট-বাজারগুলো নিয়ে দু’দপ্তরে দায়িত্ব থাকায় এ জটিলতা বলে জানা যায়। উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে বিগত দিনে ২১টি হাট-বাজারে ইজারা হলেও অজ্ঞাত কারনে বর্তমানে ১৫টি হাট-বাজারের ইজারা দেয়া হচ্ছে। ১৫টি হাট-বাজার থেকে ১৬ লাখ টাকার অধিক ইজারা বাবদ রাজস্ব আদায় হয়েছে। ইজারা আওতাধীন হাট-বাজারগুলো হলো; রণগোপালদী, আউলিয়াপুর, যৌতা, আলীপুরা স্লুইজ বাজার, বড় গোপালদী, ঠাকুরের হাট, বেতাগী হাট, উপজেলা সদর, আরজবেগী, দক্ষিণ আদমপুর, আমতলা, নেহালগঞ্জ, বাঁশবাড়িয়া লঞ্চঘাট ও গছানী।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারি কমিশনার (ভূমি) আজহারুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ না থাকলে দোকান ঘর ভারাটে মালিকদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া যায় না।