ওয়ারেন্টভুক্ত নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় আবু বকর সিদ্দিক গ্রেফতার

0

ডেক্স রির্পোটঃ পটুয়াখালীতে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামী বায়োঃসেভ ক্লিনিকের স্টাফ ক্যাশিয়ার আবু বকর সিদ্দিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

সদর থানার পুলিশের এস আই আল আমিন গ্রেফতারের সত্যতা স্বীকার করে জানান, সোমবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১১টার সময় কলেরপুকুর পাড় এলাকার মৃধা ম্যানশন ভবন’র সেবা ক্লিনিক  থেকে  নারী ও শিশু মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামী আবু বকরকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

পটুয়াখালী বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে এক সন্তানের জননী মোসা. নাজমা বেগম কর্তৃক দায়ের কৃত মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরনে জানাগেছে, আবু বকর সিদ্দিক এর সাথে আনুমানিক তিন বছর আগে ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক মোসা. নাজমা বেগমের বিবাহ হয় এবং তাদের দাম্পত্য জীবনে গত ১২ মে ১৪ ইং তারিখ নাজমা বেগমের একটি কন্যা সন্তান জন্ম গ্রহন করে। আবু বকর সিদ্দিককে নিয়ে স্বামী স্ত্রী হিসাবে বসবাস করে আসছিল। এ অবস্থায় নাজমা’র ভাসুর কালাম হাওলাদার ও ননদ রোকসানা বেগমের প্ররোচনায় স্বামী আবু বকর সিদ্দিক, স্ত্রী নাজমা বেগমকে তার পিতার কাছ থেকে যৌতুক হিসাবে এক লক্ষ টাকা এনে দিতে ঘটনার এক সপ্তাহ আগে টাউন কালিকাপুর পিতার বাড়িতে  পাঠায়। গত ৩ ফেব্রুয়ারি.১৬ইং তারিখ বিকাল আনুমানিক ৫টায় যৌতুকের টাকার জন্য স্বামী, ভাসুর, শ^াশুড়ি সালেহা বেগম ও ননদ গং নাজমার পিতা খবির সিকদারের বাড়িতে এসে স্বামী আবু বকর সিদ্দিক  বিবাহের পনস্বরুপ  লোকজনের উপস্থিতিতে  যৌতুক বাবদ তিন লক্ষ টাকা দাবী করে । এ সময় নাজমার পিতা এ দাবীকৃত টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে স্বামী আবু বকর সিদ্দিক ক্ষুব্ধ হয়ে দরজার লাট দিয়ে পিতার সামনে নাজমাকে এলাপাথারী আঘাত করে এবং যৌতুকের টাকা না দিলে তাকে তালাক দেয়ার হুমকি দেয়। এ সময় ভাসুর কালাম হাওলাদার নাজমাকে চর থাপ্প্র এবং শ^াশুড়ি সালেহা বেগম ও ননদ রোকসানা বেগমও নাজমার চুল ধরে টানাহেচরা করে  যৌতুকের ৩লক্ষ টাকা না দিলে আবু বকরকে অন্যত্র বিবাহ করায়ে যৌতুকের টাকা নেয়ার হুমকি দেয়। যৌতুকের টাকা না পেয়ে শিশু কন্যা সহ নাজমাকে রেখে   স্বামী আবু বকর সিদ্দিক গং চলে যায়। পিতা খবির সিকদার মেয়ে নাজমাকে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা শেষে নাজমা বেগম বাদী হয়ে স্বামী, ভাসুর, শ^াশুড়ি ও ননদকে আসামী করে  উক্ত আদালতে মামলা দায়ের করে। মামলা নং-৮৫/১৬ইং।