কলাপাড়ার লোন্দা- নোমরহাট সড়ক যেন মরন ফাঁদ 

11

সোলায়মান পিন্টু,কলাপাড়া প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নের লোন্দা-নোমরহাট সড়কটি যেন মরন ফাঁদে পরিনত হয়েছে। দীর্ঘ আট কিলোমিটার সড়কের

কয়েক বছর কোন সংস্কার না হওয়ায় বিভিন্ন পয়েন্টে কার্পেটিং উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে যানবাহন চলাচলে সম্পূর্ন অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে যাতায়াতের একমাত্র গুরুত্বপূর্ন এ সড়কটি দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন, শিক্ষার্থীসহ কয়েক হাজার মানুষ প্রতিদিন চলাচল  করে। খানাখন্দে সৃষ্ট সড়কটিতে প্রতিদিনই ঘটছে দূর্ঘটনা। গুরুত্বপূর্ন এ সড়কটি খুব দ্রুত মেরামত করার প্রত্যাশা করেন ভূক্তভোগী এলাকাবাসীরা।

উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নের মধুপাড়া, দাসেরহাট, মাছুয়াখালী, পূর্ব লোন্দা, পশ্চিম লোন্দা, ফুলতলা, মরিচবুনিয়া গ্রামের রবিশষ্য পরিবহন করার একমাত্র সড়ক এটি। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ব্যবসায়ীরা রবিশষ্য কিনতে এখানে আসতে শুরু করেছে। কিন্তু দীর্ঘদিনে সড়কটি সংস্কারের কোন উদ্যোগ না নেয়ায় ঝুঁকি নিয়ে পন্যবাহী যানবাহন চলাচল করতে প্রায়ই বাধসাধেন। ফলে চাষীদের উৎপাদিত মৌসুমি ফসল রপ্তানি নিয়ে শংকা দেখা দিয়েছে। মধুপাড়া এলাকার কালাম বলেন, রাস্তা খারাপ হওয়ার কারনে পন্য পরিবনের জন্য কোন ট্রাক আসতে চায়না। আসলে ভাড়া গুনতে হয় দ্্্্্্ুই তিন গুন বেশী। পরিবহন খরচ বেশী তাই অনেক সময় লোকসান হচ্ছে।

একই এলাকার রবিশষ্য চাষি মজিবর রহমান বলেন, অনেক সময় রাস্তায় গাড়ী আটকে পড়ে। তখন কাঁচামাল নষ্ট হয়ে যায়।মোটর সাইকেল চালক সুজন তালুকদার জানান, রাস্তা দিয়ে মটর সাইকেল চালানো তো দুরের কথা পায়ে হাটতেও কষ্ট হয়।

উপজেলা প্রকৌশলী আ.মান্নান জানান, পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভাড়ী যানবাহন চলাচলের কারনে সড়কটির এমন বেহাল দশা হয়েছে। তবে ভাড়ী যানবাহন চলাচল উপযোগী করে মেরামতের জন্য প্রকল্প প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলেই কাজ শুরু করা হবে বলে তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।