কলাপাড়ায় অস্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে হাজারো মানুষের দুর্ভোগ

0
SAMSUNG CAMERA PICTURES

গোফরান পলাশ, কলাপাড়া  প্রতিনিধি: অস্বাভাবিক  জোয়ার ও বৃষ্টির পানিতে ভাসছে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার অন্তত: ৩০টি গ্রাম। বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধের ভাঙ্গা অংশ দিয়ে লবন পানি প্রবেশ করে উপজেলার মহিপুর, চম্পাপুর, লাতাচাপলী ও নীলগঞ্জ ইউনিয়নের গ্রামের পর গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।  জোয়ারের পানি ক্রমশ: বৃদ্ধি পাওয়ায় ওইসব গ্রামের মানুষদের চরম দূর্ভোগ  পোহাতে হচ্ছে।

জানা যায়, ঘূর্ণিঝড়  রোয়ানুর তান্ডবে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ  ভেঙ্গে যায়। বাঁধের ভাঙ্গা অংশ দিয়ে  জোয়ারের পানি প্রবেশ করে গ্রামের পর গ্রাম প্লাবিত হচ্ছে। এরপর অতিবৃষ্টিতে ফসলী জমি, পুকুর, মাছের  ঘেরসহ বাড়ি-ঘর পানিতে তলিয়ে  গেছে। উপজেলার নিজামপুর গ্রামের ভাঙ্গা বাঁধ দিয়ে পানি প্রবেশ করায় এখন  দেড় সহ¯্রাধিক মানুষের দু:শ্চিন্তার যেন শেষ নেই। ভুক্তভোগী গ্রামবাসী ও স্কুল গামী ছাত্র-ছাত্রীরা ভাঙ্গা বাঁধ ও রাস্তা  মেরামতের দাবিতে ইতিপূর্বে মানববন্ধন করলেও বাঁধ সংস্কারে  কোন উদ্যোগ  নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

নিজামপুর গ্রামের কৃষক রহমান হাওলাদার জানান, গতবছর জমি চাষাবাদ করতে পারিনি। এ বছর ও লবন পানিতে  ক্ষেত খামার তলিয়ে রয়েছে।

চম্পাপুর ইউপি  চেয়ারম্যান রিন্টু তালুকদার জানান,  দেবপুর বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ এখন এলাকার মানুষের কাছে আতংক। গতবারও এই বাঁধ  ভেঙ্গে হাজারো মানুষের সর্বনাশ হয়েছিলো। এবার ঘূর্ণিঝড়  রোয়ানুর তান্ডবে  ফের বাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ার কারনে হাজার হাজার একর জমিতে চাষাবাদ বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।

মহিপুর ইউনিয়ন পরিষদের  চেয়ারম্যান আবদুল ছালাম আকন জানান, জরুরী ভিত্তিতে নিজামপুর পয়েন্টের ভাঙ্গা অংশ  মেরামত করা না হলে আগামী কৃষি  মৌসুমে কৃষকরা তাদের জমিতে চাষাবাদ করতে পারবেনা।

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন  বোর্ড কলাপাড়া অঞ্চলের নির্বাহী প্রকৌশলী  মো.আবুল খায়ের জানান, বরাদ্ধ  পেলে দ্রুত ভাঙ্গা বাঁধ সংস্কারের উদ্যোগ  নেয়া হবে।