কলাপাড়ায় দায় সারা জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগীতা!

8

 

গোফরান পলাশ, কলাপাড়া প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় শিশু একাডেমীর জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগীতা ২০১৭ এর উপজেলা পর্যায়ের অনুষ্ঠান দায় সারা ভাবে সম্পন্ন করার অভিযোগ উঠেছে।

 

রবিবার সকালে সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো: রফিকুল  ইসলাম অংশগ্রহনকারী কোমলমতি শিশুদের লাইনে দাড় করিয়ে কোন রকম শব্দ যন্ত্র ছাড়াই মুখে ডেকে এবং প্রয়োজনের তুলনায় স্বল্প সময় বেঁধে দিয়ে আবৃত্তি, গল্প, অভিনয়, কেরাত সহ অন্যান্য ইভেন্টের প্রতিযোগীতা গুলো সম্পন্ন করেছেন বলে অভিযোগ একাধিক অভিভাবকের।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক অভিভাবক জানান, রবিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো: রফিকুল ইসলাম একাই এতসব ইভেন্টের বিচারক ছিলেন। শিশুদের ছবি আঁকা প্রতিযোগীতায় সময় দিয়েছেন মাত্র ৩০ মিনিট, তাও বিচারক ওই একজন। বিকেলে অভিভাকরা সংবাদ কর্মীদের মাধ্যমে বিষয়টি ইউএনও এর নজরে আনলে কিছুটা শৃংখলা আসে দায় সারা গোছের অনুষ্ঠানে। একটি সাউন্ড বক্স এসে হাজির হয় অনুষ্ঠান স্থলে। এর পর চলে শিশুদের নাচ, গান সহ অন্যান্য সাংস্কৃতিক ইভেন্ট গুলোর প্রতিযোগীতা। জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগীতার পরিবেশ, উপস্থাপনা, বিচারক, শ্রোতাদের আসন, মূল্যায়ন পদ্ধতি এবং সর্বশেষ পুরস্কার নিয়েও ক্ষোভ জানিয়েছেন একাধিক অভিভাবক।

 

জেলা শিশু একাডেমীর সংগঠক মো: মোস্তফা কামাল জানান, প্রতিটি উপজেলায় সুন্দর ভাবে শিশুদের এ প্রতিযোগীতা সম্পন্ন করার জন্য ইউএনও, ওসি, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, শিক্ষা কর্মকর্তা. বিদ্যালয় প্রধান সহ ১০ সদস্যের একটি কমিটি এবং ১২ হাজার টাকা বরাদ্দ রয়েছে। তারপরও কোন কোন উপজেলা থেকে জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগীতায় প্রতিযোগী পাওয়া যায় না।

 

কলাপাড়া ইউএনও এবিএম সাদিকুর রহমান জানান, আমি বিষয়টি দেখছি। প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার এটি সুন্দর ভাবে করার কথা।