কলাপাড়ায় বেপরোয়া হয়ে উঠছে পুলিশ পুলিশ অফিসার পরিচয়ে স্বর্ন ব্যবসায়ীকে হুমকীর অভিযোগ

1

 

কলাপাড়া প্রতিনিধি ঃ পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পুলিশের বিরুদ্ধে নিরপরাধ সাধারন মানুষকে হয়রানী করা সহ শারিরীক ভাবে লাঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া অপরাধীদের ধরে রহস্যজনক ভাবে ছেড়ে দেয়া সহ কয়েকজন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে খোদ পুলিশ অফিসারকে লাঞ্চিত করার তথ্য পাওয়া গেছে। এমনকি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় সচিবের নির্দেশনার কথা বলে পুলিশ অফিসার পরিচয়ে স্বর্ন ব্যবসায়ীকে মোবাইল ফোনে হুমকী দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য গতকাল (রবিবার) কলাপাড়া থানায় লিখিত আবেদন করেছেন স্বর্ন ব্যবসায়ী অশোক কর্মকার।

 

জানা যায়, উপজেলার মহিপুর এলাকার যুবক জুয়েল আকনকে কোন ধরনের অভিযোগ ছাড়াই শারিরীক ভাবে লাঞ্চিত করার পর কনেষ্টবল হুমায়ুন কবির (কং-৩৭০) শনিবার তাকে সাদা পোষাকে জোরপূর্বক মহিপুর পুলিশ তদন্তকেন্দ্রে নিয়ে এসে বিনা অপরাধে বেধড়ক মারধর করেন। এখবর মহিপুর মৎস্যবন্দরে ছড়িয়ে পড়লে সাধারন মানুষ বিক্ষুব্দ হয়ে ওঠে। অত:পর সাধারন মানুষকে শান্ত করতে মহিপুরে ছুটে আসেন কলাপাড়া থানার অফিসার ইন-চার্জ মো: আজিজুর রহমান। এ বিষয়ে ভুক্তভোগীর বড় ভাই মো: মিজানুর রহমানের লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে ওই অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে জরুরী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের নিশ্চয়তা দেন ওসি। অপরদিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় সচিবের নির্দেশনার কথা বলে পুলিশ অফিসার পরিচয়ে স্বর্ন ব্যবসায়ীকে মোবাইল ফোনে হুমকী  দেয়ার অভিযোগে রবিবার কলাপাড়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন স্বর্ন ব্যবসায়ী অশোক কর্মকার। এদিকে কুয়াকাটা পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ এস আই সঞ্জয় মন্ডলকে লাঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে পুলিশ সদস্য তোফাজ্জেল (কং-৪০২), আজিম (কং-২১৭), হারুন (কং-৫০৬) ও পুলিশ সদস্য শহীদ (কং-৯৫৩) এর বিরুদ্ধে। এতে পুলিশের অভ্যন্তরীন কোন্দলকে দায়ী করছেন কেউ কেউ।

 

এ বিষয়ে কুয়াকাট পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ এস আই সঞ্জয় মন্ডল’র সাথে যোগাযোগ করলে তিনি পুলিশ সদস্য কর্তৃক অপমানিত হওয়ার সত্যতা স্বীকার করেন।

 

কলাপাড়া থানার অফিসার ইন-চার্জ মো: আজিজুর রহমান বলেন, কনেষ্টবল হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পুলিশ সুপারের কাছে তিনি অনুরোধ করেছেন।

 

এ বিষয়ে পটুয়াখালী পুলিশ সুপার মো: মুশফিকুর রহমান জানান, জুয়েল আকনকে লাঞ্চিত করার বিষয়টি তিনি অবগত হয়েছেন। শীঘ্রই এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। অপর বিষযগুলো সম্পর্কে তাকে কেউ অবহিত করেরননি বলে তিনি জানিয়েছেন।