কলাপাড়ায় বোরো ধান চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন কৃষক

0

গোফরান পলাশ, বিশেষ প্রতিনিধি কলাপাড়া: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় এবছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং পানির সেচ ব্যবস্থা ভাল থাকায় বোরো ধান চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন উপকূলীয় এলাকার প্রান্তিক কৃষক। এছাড়া বিগত বছর গুলোতে বোরো ধানের কাঙ্খিত ফলন এবং ভাল দাম পাওয়ায় বোরো ধান চাষের নিমিত্তে জমি প্রস্তুত করনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, কনকনে শীত ও ঘন কুয়াশা উপক্ষো করে কৃষকরা ট্রাক্টর কিংবা গরু দিয়ে জমি প্রস্তুত করছেন। কেউ কেউ জমিতে পানির সেচ দিচ্ছেন। আবার কোথাও আদর্শ বীজতলা থেকে বীজ সংগ্রহ করে জমিতে রোপন করছেন। সব মিলিয়ে বোরো আবাদে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। এছাড়া গত বছর বোরো ধানের ফলন ভাল হওয়ায় উপজেলার সব ইউনিয়নেই বোরো ধান চাষ করছেন কৃষক। তবে আমন ধানের মত যদি কৃষক বোরো ধানের ন্যায্য মূল্য পান তবে সামনের বছরগুলোতে বোরোর আবাদ আরও বেশি বাড়বে বলে মনে করছেন কৃষি সংশ্লিষ্টরা।কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, এ বছর কলাপাড়ায় ২৫০০ হেক্টর জমি টার্গেট করে বোরো চাষ হচ্ছে। কিন্তু গত বছর মাত্র ২১০ হেক্টর জমিতে বোরোর আবাদ হয়েছিল। উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নের কৃষক আবদুর রহমান জানান, সরকারের বেশ কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য বেশ কিছু জমি অধিগ্রহন করায় এ বছর তরমুজ চাষ করতে পারছেন না কৃষকরা। তবে কোথাও কোথাও বোরো আবাদ হচ্ছে।নীলগঞ্জ ইউনিয়নের কৃষক রহমত আলী জানান, গত বছর ১একর জমি বর্গা নিয়ে বোরো চাষ করেছিলাম। ভাল ফলনও হয়েছিল এবং ভাল দামও পেয়েছি। এছাড়া এ বছর আমনের ন্যায্য মূল্য পেয়েছি। তাই বোরো আবাদ করছি।মহিপুর ইউনিয়নের কৃষক আবদুল লতিফ জানান, আমরা যদি আমনের মত বোরো ধানের দাম পাই, তবে আগামী বছর আরও বেশি করে বোরো আবাদ করবো।

কলপাড়া কৃষি কর্মকর্তা মো. মসিউর রহমান জানান, বোরো ধান আবাদের জন্য প্রয়োজন মিষ্টি পানি। বোরো চাষের জমিতে যেন লবন পানি প্রবেশ না করতে পারে সেজন্য কৃষককে পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।