কলাপাড়া যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ

1

কলাপাড়া প্রতিনিধি ঃ সপ্তাহে মাত্র দু’একদিন অফিস করেন তিনি। ওই দিনেই বাকী কর্ম দিবসের স্বাক্ষর করেন অফিস না করেই চলে যান। এমনকি কর্মস্থলে অব্যাহত এ অনুপস্থিতির বিষয়ে কখনও কর্তৃপক্ষের অনুমতি কিংবা ছুটির ও প্রয়োজন পড়েনি তার। ইতোমধ্যে একাধিক বার শোকজ খেয়েও রহস্যজনক ভাবে বহাল তবিয়তে আছেন তিনি। চাকুরীতে যোগদানের পর থেকে অদ্যবধি অনিয়ম পিছু ছাড়েনি তার। তিনি কলাপাড়া উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো: জালাল উদ্দীন আহমেদ।

 

নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো: জালাল উদ্দীন আহমেদ বরগুনার আমতলী উপজেলায় ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচীর কাজ করার সময় জড়িয়ে পড়েন আর্থিক অনিয়মের সাথে। নানা বিতর্কের পরে সেখান থেকে আসেন পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায়। দুমকী উপজেলায় কর্মরত অবস্থায় তিনি পুনরায় জড়িয়ে পড়েন অনিয়ম ও দুর্নীতির সাথে। ভুয়া ভাউচার বানিয়ে তাতে স্বাক্ষর করে সরকারি টাকা আত্মসাৎ করা এখন তার বা হাতের কাজ। এছাড়া কুয়াকাটা এলাকার জমি সংক্রান্ত বিষয়ে জড়িয়ে ফৌজদারী মামলার আসামী হন তিনি। এজন্য একাধিক বার আদালতের কাঠ গড়ায় দাড়াতে হয় তাকে। দুমকী থেকে এসে মামলায় হাজিরা দিতে সমস্যার কারনে এরপর জেলার কলাপাড়ায় যোগদান করেন চলতি বছরের ত্রিশ এপ্রিল।

 

এ বিষয়ে জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো: নূর-এ-আলম আখতার যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো: জালাল উদ্দীন আহমেদের অনিয়ম ও দুর্নীতির সত্যতা স্বীকার করে জানান, তিনি গতকাল (রবিবার) আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে কলাপাড়া যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো: জালাল উদ্দীন আহমেদকে বিনা ছুটিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত পেয়েছেন। প্রমান হিসাবে তিনি হাজিরা খাতার ফটোকপি সংগ্রহ করেছেন বলে জানান। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করা হবে।

 

এ বিষয়ে যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো: জালাল উদ্দীন আহমেদ তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করেন।#