কলেজ ছাত্রীকে উত্যাক্ত ঘটনার প্রতিবাদ করায় ভাই ও চাচা রক্তাক্ত জখম

6

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ পটুয়াখালী সদর উপজেলার লাউকাঠী ইউনিয়নের জামুরা গ্রামে কলেজ পড়–য়া বোনকে উত্যাক্ত করার প্রতিবাদ করায় শিক্ষানবীশ আইনজীবী ভাই ও চাচাকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে বখাটে উত্যাক্তকারী মনিরুল ইসলাম গং। এ ঘটনায় সদর থানায়  লিখিত অভিযোগ করলেও পুলিশ অভিযোগটি এজারহার হিসাবে গ্রহন করেনি বলে ভিকটিম পরিবারের সদস্যরা জানান।

থানায় দেয়া লিখিত অভিযোগ ও ভিকটিমের স্বজনদের সূত্রে জানাগেছে, লাউকাঠী ইউনিয়নের জামুরা গ্রামের ইউনুচ আলী মৃধার মেয়ে পটুয়াখালী সরকারী মহিলা কলেজে বি.এ অনার্স (বাংলা) প্রথম বর্ষের ছাত্রী। কলেজে যাওয়া আসার পথে প্রতিবেশী কাঞ্চন বাদশার বখাটে সন্ত্রাসী ছেলে মনিরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে পথ আগলে উত্যাক্ত করে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছে। এ ঘটনা মনিরুল ইসলামের বাবা কাঞ্চন বাদশাকে সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে অভিযোগ করায় মনিরুল ইসলাম আরো ক্ষিপ্ত হয়ে ওই কলেজ ছাত্রী কে জোরপূর্বক ছিনিয়ে নিয়ে যাবে এবং জীবন নাশের হুমকি দেয়। ছাত্রীর বাবা ইউনুচ আলী মৃধা, মাতা কোহিনুর বেগম ও ভাই শিক্ষানবীশ আইনজীবী মেহেদী হাসান এ ঘটনা পটুয়াখালী জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক খান মোশারেফ হোসেনের কাছে ঘটনার সবিস্তার অবহিত করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ঘটনার দিন ২১ সেপ্টেম্বর বুধবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে  ছাত্রীর ভাই মেহেদী হাসান ও চাচা সোবাহান মৃধা পটুয়াখালীতে বাজার করে বাড়ির উদ্দেশ্যে লাউকাঠী নদী পাড় হয়ে লাউকাঠী বাজারে রতনের চায়ের দোকানের সামনে পৌছলে সেখানে ওৎ পেতে থাকা বখাটে সন্ত্রাসী উত্যাক্তকারী মনিরুল ইসলাম ও তার সাঙ্গপাঙ্গ সন্ত্রাসীরা দাও, লোহার রড ও লাঠিসোটা নিয়ে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে উপুর্যপরি কুপিয়ে ও পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে ।এ সময় ডাকচিৎকারে  স্থানীয় লোকজন  ঘটনাস্থলে এসে মেহেদী হাসান ও সোবাহানকে প্রানে রক্ষা করে গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে পটুয়াখালী হাসপাতালে ভর্তি করে।

এ ঘটনায় বখাটে সন্ত্রাসী উত্যাক্তকারী ও হামলাকারী মনিরুল ইসলাম(৩০), শহিদুল ইসলাম বাদশা(৩৫), সেলিম বাদশা (৪০), কাঞ্চন বাদশা(৬০), মালেক বাদশা (৫৫) ও ছালাম বাদশা (৩৩ কে চিহিৃত করে অজ্ঞাত আরো ৫/৬জন জড়িত আছে উল্লেখ করে সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও অজ্ঞাত কারনে অভিযোগটি আমলে না নিয়ে উল্টো বখাটে উত্যাক্তকারী মনিরুল ইসলামের দায়েরকৃত কলেজ ছাত্রীর ভাই, চাচা ও পিতাসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে করা একটি মিথ্যা অভিযোগ এজারহারভুক্ত করে পুলিশ।