কুয়াকাটায় অবৈধ জমি দখল ॥ আদালতে মামলা

0

মনিরুল ইসলাম মহিপুর  প্রতিনিধি ঃ কুয়াকাটায় সীমানা প্রাচির ভেঙ্গে অবৈধভাবে জমি দখলের অভিযোগে কলাপাড়া বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা হয়েছে। ১৬ ফেব্রুয়ারী মোঃ শাহজাহান কবির বাদী হয়ে মোঃ মনজু সিকদারসহ ৩জনকে আসামী করে এ মামলা দায়ের করেন।

মামলার বিবরণীতে  জানাযায়, বাদী জেএল ৩৪নং লতাচাপলী মৌজায় ৬৪৪নং খতিয়ান এবং ২১৪৭নং জমাখারিজের ৫৩৬০ ও  ৫৩৬১নং দাগের ০.৩০ একর ভূমির কবলা দলিলমূলে মালিক হয়ে ভূমি অফিসের ২০০৯-১০ সনের ৫৮১ খে/(২য় খন্ড) নং নামজারী কেসের মাধ্যমে খাজনা পরিশোধ পূর্বক ক্রয়কৃত জমির চতুরদিকে সীমানার দেয়াল নির্মাণ করে ভোগ দখলে আছেন।

কিছুদিন যেতে না যেতেই বিবাদী পক্ষ একটি কুচক্রি মহলের যোগসাজশে ওই জমি অবৈধ দখলের পায়তারায় মেতে উঠে। বাদী ওই জমি দেখা শুনার জন্য হারুর অর-রশিদকে দায়িত্ব দিয়ে তার স্থায়ী ঠিকানা সাভার, ঢাকায় চলে যান। এসুযোগে বিবাদীগণ স্থানীয় মাস্তানদের নিয়ে সীমানার দেয়াল ভেঙ্গে পানির পাইপ স্থাপন, ওয়ারলেজ টাওয়ারের টানা ও চারাগাছ রোপন করেন। মোঃ শাহজাহান কবির এ সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে বিবাদীদের সীমানার দেয়াল ভেঙ্গে পানির পাইপ স্থাপন,ওয়ারলেজ টাওয়ারের টানা ও চারাগাছ রোপন সরিয়ে নিতে বলেন। এতে উল্টো তারা তাকে বিভিন্নভাবে ভয় ভীতি দেখায় এবং ওই জমির সীমানার দেয়াল ভেঙ্গে দখল করে নিবে বলে হুমকী দেয়, বাদী পক্ষের এমন এন্তার অভিযোগ রয়েছে।

এ ব্যাপারে যানতে চাইলে ২নং বিবাদী মোঃ শাহজাহান শামিম জানান, মোঃ শাহজাহান কবিরগংরা জমি পাবে তবে এমং তালুকদারের সাথে সমজোতা করতে হবে।

এ ব্যাপারে লুমা রাখাইন বলেন,”শাহজাহান কবিরদের কাছে ডিগ্রীর মাধ্যমে জমি বিক্রি করা হয়েছে অবশ্যই তার জমি পাবে”।

এবিষয় কুয়াকাটা পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ তোফায়েল আহমেদ তপু জানান, তার দৃষ্টিতে কাগজ পত্র অনুযায়ী ওই জমি বাদী পক্ষ মোঃ শাহজাহান কবিরগংরা পাবে।

উল্লেখ্য যে, পর্যটন নগরী কুয়াকাকে পুঁজি করে একটি কু-চক্রি মহল নিজেদের আখের গোছাতে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড চালাচ্ছে বীর দাপটে। কুয়াকাটা পর্যটন কেন্দ্র হওয়ায় অনেক বিনোয়গকারীরা জমি ক্রয় করে হোটেল মোটেলসহ বিভিন্ন রিসোর্ট করেন পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে। আর তখনই একটি চক্র ভূমি দালাল সেজে জমি ক্রয়-বিক্রয় করতে সহযোগিতার কথা বলে বিভিন্ন প্রতারনা করছে বিনিয়োগকারীদের সাথে।

বিনিয়োগকারীসূত্রে জানাযায়, ওই চক্র ভূয়া কাগজ পত্র তৈরী করে তা দেখিয়ে বায়না বাবদ লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে পরবর্তিতে জমি দিতে পারছে না। এমনকি একই জমি একাধীক লোকের কাছে বিক্রি করছে। যারফলে ভোগান্তির স্বীকার হয়ে অনেকেই কুয়াকাটা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। পর্যটন শিল্পের উন্নয়নের লক্ষ্যে অবিলম্বে এসকল অপরাধমূলক কাজ বন্ধ করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সু দৃষ্টি কামনা করছে বিনিয়োগকারীসহ নিরিহ জনসাধারণ।