কুয়াকাটায় ট্ট্রি প্ল্যান্টেশনের কাউয়ার চরের বাগান উজার হওয়ার শঙ্কা

6

 

মনিরুল ইসলাম মহিপুর প্রতিনিধিঃ  কুয়াকাটার কাউয়ার চর মৌজার ৩৬ ও ৯ নং খতিয়ানের ৮০৫,৮৭৫,৮৭৬,১০০২,১০০৩ নং দাগের ১৪৮ একর জমিতে ডেসটিনি ট্টি প্ল্যান্টেশন লিঃ এর নামে লাগানো গাছ আজ উজার হওয়ার উপক্রম হয়েছে কথাটি স্থানীয় লোকজন ও এখানকার বিনিয়োগকারী ডিস্টিবিউটাররা বলেন। তারা আরো বলেন কতিপয় প্রভাবশালী বন দস্যুদের নজরে পড়েছে এ বিশাল বাগানের উপর। ইতোমধ্যে কয়েক হাজার গাছ কাটা হয়েছে প্রভাবশালীদের মদদে তাদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতে সাহস পায়না। তারা সাংবাদিকদের বলেন আপনারা চলেগেলে আমাদের রক্ষা করবে কে?

বাগান পাহারাদার রহিম জানান, প্রায় তিন বছর ধরে আমি বেতন পাই না। পেটের তাগিতে অন্য কাজ করতে হয়। আমার অজান্তে প্রভাবশালীরা হাজার হাজার গাছ কেটে নিয়ে গেছে। স্থানীয় বাসিন্দা আজাদ হাওলাদার জানান, ডেসটিন বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার আগে বাগানের রক্ষনাবেক্ষণ ঠিকঠাক ভাবে চলছিল। কিন্তু কয়েক মাস আগে বনদস্যুরা অনেক গাছ কেটে নিয়ে গেছে। ডেসটিনি ট্টি প্লান্টেশনে বিনিয়োগকারী ডিসটিবিউটর নুরআলম জানান, আমাদের এই বাগানের উপর এখন বন দস্যু ও ভূমি দস্যুদের নজর পড়েছে। কম্পানির এমডি ও চেয়ারম্যান স্যার জেলে থাকার কারনে আমাদের সম্পদ এখন বেহাত হওয়ার পালা। তাদের আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জামিন ছাড়া আমাদের সমস্যার সমাধান সম্ভবনা। ডেসটিনি ২০০০ লিঃ এর পরিচালক অপরেশন সিরাজাম মুনীর বলেন, আমাদের এমডি ও চেয়ারম্যানকে বিনাবিচারে আটকে রাখার কারনে আমাদের সম্পদ লুটপাট করার চক্রান্ত চলছে। সারা বাংলাদেশে ডিসটিনিতে বিনিয়োগকারী ক্রেতা ও ৪৫ লক্ষ ডিস্টিবিউটারদের একটিও অভিযোগ নাই। তারা চায় এমডি ও চেয়ারম্যান স্যারের মুক্তির মাধ্যমে তাদের সম্পদ রক্ষা হউক। তিনি আরো বলেন ডেসিটিনিতে যারা বিনিয়োগ করেছেন তাদের প্রায় দশ হাজার কোটি টাকার মত সম্পদ রয়েছে। এই সম্পদ সাধারণ ডিস্টিবিউটারদের। এমডি ও চেয়ারম্যান যদি অচিরেই ছাড়া না পায় তা হলে হাজার হাজার কোটি টাকার ইন্ডাস্টি ও  সম্পদ সন্ত্রাসী, ভূমি দস্যু ও বন দস্যুদের হাতে চলে যাবে। সাধারণ ডিস্টিবিউটারদের সম্পদ রক্ষার নামে আজকে আমাদের সম্পদ লুটপাট চলছে। ৪৫ লক্ষ ডিস্টিবিউটারের কথা বিবেচনা করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে ডেসটিনি ২০০০ লিঃ এর এমডি ও চেয়ারম্যান স্যারের মুক্তির দাবী জানিয়েছেন।