কুয়াকাটায় ট্যুরিষ্ট পুলিশের বিরুদ্ধে  হোটেল মালিককে মারধরের অভিযোগ

3

 

গোফরান পলাশ, কলাপাড়া প্রতিনিধি: কুয়াকাটায় ট্যুরিষ্ট পুলিশের বিরুদ্ধে হোটেল মালিককে মারধরের অভিযোগ করেছে আবাসিক হোটেল ¯েœহা কর্তৃপক্ষ। ট্যুরিষ্ট পুলিশ বলছে পেশাগত কাজে বাঁধা এবং ট্যুরিষ্ট পুলিশকে গালিগালাজ ও নাজেহাল করার কারনে তারা মারধর করতে বাধ্য হয়েছেন।আবাসিক হোটেল ¯েœহা’র লীজ গৃহিতা মালিক ও জেলা পরিষদের ঠিকাদার মোঃ আসলাম তালুকদারের ছোট ভাই মোঃ শামিম তালুকদার বলেন, ’গত সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ট্যুরিষ্ট পুলিশের এস আই নুরজামাল সহ তিন পুলিশ সদস্য হোটেল কর্তৃপক্ষের কোন অনুমতি না নিয়ে পর্যটকদের রুমে ঢুকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। আমি এর প্রতিবাদ করলে ট্যুরিষ্ট পুলিশের এস আই নুরজামালসহ ওই তিন পুলিশ সদস্যরা গালিগালাজ করে এবং মারতে মারতে সমুদ্র সৈকতে থাকা ট্যুরিষ্ট পুলিশ বক্সে নিয়ে যায়। পরে সাদা কাগজে স্বাক্ষর রেখে ছেড়ে দেয়া হয় তাকে।’

এ ব্যাপারে ট্যুরিষ্ট পুলিশের এস আই নুরজামাল বলেন, ’পটুয়াখালীর এক অভিভাবক অভিযোগ করেন তাদের মেয়েকে নিয়ে একটি ছেলে পালিয়ে গিয়ে কুয়াকাটার আবাসিক হোটেলে উঠেছে। তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে বিভিন্ন আবাসিক হোটেল কক্ষ তল্লাশি করেন তারা। এর ধারাবাহিকতায় হোটেল ¯েœহা’য় গেলে হোটেল বয় নীচ তলার একটি রুম খুলে দেখায়। ওই রুমে সন্দেহজনক এমন কাউকে না দেখে তারা ফিরে যাচ্ছিলেন। এমন সময় শামিম এসে তাদেরকে গালিগালাজসহ পেশাগত দ্বায়িত্ব পালনে বাধা দেয়ায় বাধ্য হয়ে শামিমকে মারধর করতে হয়েছে তাদের। পরবর্তীতে শামিম তার ভুল বুঝতে পারায় মুচলেকা রেখে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।’কুয়াকাটা আবাসিক হোটেল মোটেল ওনার্স এসোশিয়েশনের সাধারন সম্পাদক এম এ মোতালেব শরীফ বলেন, ’পুলিশের  সাথে শামিমকে নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল, তা আমরা বসে মিমাংসা করে দিয়েছি। এর পরও অভিযোগ দেয়ার কিছু নেই।’এ বিষয়ে ট্যুরিষ্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোন এর সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ জহির জানান, ’শামিমের সাথে ট্যুরিষ্ট পুলিশের মাঝে যে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল তা মিমাংসা হয়ে গেছে।’