কুয়াকাটায় বিদ্যুৎ সংযোগের নামে লক্ষাধীক টাকার চাঁদাবাজী

3

কুয়াকাটা প্রতিনিধি ঃ কুয়াকাটায় পল্লী বিদ্যুতের সদস্য ভর্তি ফি’র নামে লক্ষাধীক টাকার চাঁদাবাজীর অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল বেলা ১১টার দিকে এক লিখিত অভিযোগে জানা যায়, কুয়াকাটার গোড়া আমখোলা পাড়া সাবমেরিন ক্যাবল’র ল্যান্ডিং ষ্টেশন হইতে লক্ষীর হাট হয়ে মিশ্রিপাড়া পর্যন্ত সাড়ে ১০ কি.মিটার এলাকা থেকে ৩৭৮ পরিবারের কাছ থেকে ২০ টাকার রশিদের বিপরীতে ২৫০ টাকা করে চাঁদা তোলা হয়েছে। কলাপাড়া উপজেলা এলাকা পরিচালক জিসান আলমগীর নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ থেকে এ চাঁদাবাজী করে থাকে। শুধু এই এলাকা থেকেই নয় ইতোপূর্বে উপজেলার বালিয়াতলী,বানাতি বাজার এলাকা থেকেও ব্যাপক চাঁদাবাজী করেছে। বর্তমানে লতাচাপলী ইউনিয়নের পোনাউ পাড়া ও মাইড ভাঙ্গা থেকে স্থানীয় লোকের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করে। এ থেকে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান মাইট ভাঙ্গা জামে-মসজিদও বাদ পরেনি। ফলে এলাকার লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে। তারা বলেন জিসান আলমগীর সরেজমিনে না এসে স্থানীয় লোকের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করে। ঘটনাটি জানাজানি হলে ইলেক্ট্রিসিয়ান একরামিনের নাম ওঠে। এব্যাপারে একরামিন বলেন, তিনি ইলেক্ট্রিশিয়ান টাকা উত্তোলনের কাজ তার নয়। কিছু পরিবারের নাম তালিকাভুক্ত না হওয়ায় জিসান আলমগীর স্যার আমাকে সেখানে পাঠায় এবং আমি বাদ পরে যাওয়া পরিবার গুলোর নামের তালিকা করে আসি। আসলে এই টাকার ব্যাপারে আমি কিছুই জানিনা এবং আমি কোন গ্রাহকের কাছ থেকে টাকা উত্তোলনও করিনি। গোপন সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের নাও ভাঙ্গা, হলদি বাড়িয়া, এলেমপুরা এমনকি তার নিজ এলাকা ধান খালি ইউনিয়ন থেকেও কোন গ্রাহক রক্ষা পায় নি। এব্যাপারে জিসান আলমগীরের যোগাযোগ করতে চাইলে তাকে পাওয়া যায় নি। এলাকা পরিচালক জিসান আলমগীরের লাগাম টেনে না ধরলে প্রতারণার শিকার হবে বিদ্যুৎ গ্রাহকরা। ##