কুয়াকাটা মহাসড়কের শেখ কামাল সেতু এখন উদ্বোধনের অপেক্ষায়

2

গোফরান পলাশ, কলাপাড়া: পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের আন্ধারমানিক নদীর উপর নির্মিত শেখ কামাল সেতুর নির্মান কাজ শেষ হওয়ায় এটি এখন প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক উদ্বোধনের অপেক্ষায়। এ সেতুটি চালু হলে পর্যটন কেন্দ্র কুয়াাকাটার সাথে সারা দেশের সড়ক যোগাযোগে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর শহীদ সন্তানদের নামে পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের আন্ধারমানিক, সোনাতলা ও শিববাড়িয়া নদীর উপর নির্মিত শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শেখ রাসেল সেতু নির্মান এ অঞ্চলের মানুষের কাছে ছিলো এক সময় স্বপ্নের মত।

01

জানা যায়, শেখ কামাল সেতুর পুরো কাজ শেষ। এখন চলছে রঙ-তুলিতে সৌন্দর্য্য বর্ধনের কাজ। সেতুতে আলোর ব্যবস্থার জন্য লাগানো হচ্ছে সোলার প্যানেল। এর আগে মহিপুর-আলীপুর পয়েন্টে শিববাড়িয়া নদীর ওপর নির্মিত শেখ রাসেল সেতু ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করেন। এছাড়া একই সড়কের সোনাতলা নদীর উপর নির্মাধীন শেখ জামাল সেতুর কাজও দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।

সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, কলাপাড়ার আন্ধারমানিক নদীর উপর শেখ কামাল সেতুটির দৈর্ঘ্য ৮৯১ দশমিক ৭৬ মিটার। এতে ১৯টি স্প্যান রয়েছে। সেতুটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৬৫ কোটি ১ লাখ ৮৫ হাজার টাকা।

 

কুয়াকাটার হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. মোতালেব শরীফ জানান, কুয়াকাটা-কলাপাড়া সড়কের মাত্র ২২ কিলোমিটারে তিনটি ফেরি পারাপার ছিল পর্যটকদের কাছে চরম বিড়ম্বনার। শেখ কামাল এবং শেখ জামাল সেতু চালু হলে সাধারণ মানুষসহ পর্যটকদের ভোগান্তি অনেকটা লাঘব হবে। তিনি আরও বলেন, এ সেতু তিনটি চালু হলে কুয়াকাটার ব্যবসা-বানিজ্যে নতুন গতি ফিরে আসবে এবং দক্ষিনাঞ্চলের মানুষের ভাগ্যে পরিবর্তন ঘটবে।

 

পটুয়াখালীর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জহিরুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, শেখ কামাল সেতুর কাজ একরকম শেষ। এখন চলছে সৌন্দর্য্য বর্ধনের কাজ। যেকোনো সময় প্রধানমন্ত্রী এটি উদ্বোধন করবেন। উদ্বোধনের পর এটি জনসাধারনের জন্য খুলে দেওয়া হবে।