কেন্দ্রীয় ওলামালীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক কলাগাছিয়ায় লাঞ্চিত মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ বানিজ্যের অভিযোগ

1

 

নাসির উদ্দিন, গলাচিপা : কেন্দ্রীয় আওয়ামী ওলামালীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা মোঃ ছাইফুর রহমান তার নিজ গ্রাম কলাগাছিয়ায় লাঞ্চিত হওয়ার ঘটনায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উৎকোচ নিয়ে  ঘটনাটি অন্য ধারায় প্রবাহিত করতে চান বলে অভিযোগ উঠেছে।

গত ৪ অক্টোবর কলাগাছিয়া লঞ্চঘাটে লাঞ্চিত হন মাওলানা ছাইফুর। এ ব্যাপারে গলাচিপা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে যার নং ০৫ তাং-১১.১০.১৫। মাওলানা ছাইফুর নিজেই বাদী হয়ে ওই মামলাটি করেন। তবে ছাইফুর রহমানকে  কলাগাছিয়া গ্রামের সন্ত্রাসী চুন্নু ও তার লোকজন লাঞ্চিত করেন বলে মামলায় উল্লে¬খ করা হয়েছে।

প্রত্তক্ষ্যদর্শী ও বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, মাওলানা ছাইফুর রহমান গত কয়েক দিন আগে ছুটিতে গ্রামের বাড়ী গলাচিপার কলাগাছিয়ায় বেড়াতে আসেন। তার আসার খবর শুনে গ্রামের লোকজন চুন্নু সিকদার ও তার লোকজনের বেপরোয়া নির্যাতন, চাঁদাবাজী ও বিভিন্ন নারীর সম্ভ্রম হানির কথা বলার জন্য তার বাড়ীতে ভীড় জমান এবং চুন্নু সর্ম্পকে তাদের ক্ষোভের কথাগুলি বলেন। চুন্নু সিকদার কলাগাছিয়া এলাকার কয়েকটি খাস জমি দখল করে আছে বলেও স্থানীয়রা মাওলানা ছাইফুরের কাছে অভিযোগ করেন। গত ৪ অক্টোবর কলাগাছিয়া লঞ্চ ঘাটে চুন্নু সিকদারের সাথে তার দেখা হয় ছাইফুরের তখন চুন্নুর কাছে স্থানীয়দের অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে কোন কথা না বলেই পাশে থাকা স্ব-মিলের কাঠের টুকরা দিয়ে ছাইফুরের উপর হামলা করেন চুন্নু সিকদার, মোঃ কবির মোল্ল¬া ও সুজন সিকদার সহ আরো অনেকে। এতে গুরুতর আহত হন ছাইফুর। সাথে থাকা তার বোনকেও লাঞ্চিত করেন চুন্নু ও তার লোকজনেরা । স্থানীয়রা গোলমাল দেখে তাদেরকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। এ ঘটনায় গলাচিপা থানায় একটি মামলা করেন ছাইফুর।

মাওলানা ছাইফুর জানান। ৪ অক্টোবর ঘটনা ঘটার পর আমি চিকিৎসাধীন ছিলাম। ১১ অক্টোবর গলাচিপা থানায় এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করি। কিন্তু মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চুন্নুর কাছ থেকে উৎকোচ নিয়ে মামলাটি অন্য ধারায় প্রবাহিত করতে চান। তদন্তকারী কর্মকর্তা গলাচিপা থানার সহকারী পরিদর্শক আঃ রহমানের কাছে মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বিভিন্ন অজুহাতে বিষয়টি এড়িয়ে যান। বিষয়টি এলাকাবাসী অবগত আছেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গলাচিপা থানার সহকারী পরিদর্শক আঃ রহমান  জানান, আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা। তদন্ত চলছে দ্রুত তদন্ত রিপোর্ট প্রদান করা হবে।