খাজুরা আশ্রয়ন প্রকল্পের ৬০ ঘর ভাসছে  জোয়ারের পানিতে

4

মহিপুর প্রতিনিধি ঃ মহিপুর থানার ৭নং লতাচাপলী ইউনিয়নের খাজুরা আশ্রয়ন প্রকল্পের ৬০ ঘর জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। দীর্ঘ ৩ মাস ধরে এভাবে প্লাবিত হয়। ঘর ছেড়ে রাস্তায় দাড়িয়ে থাকতে হয় পরিবারের সকলের। ঘরের মধ্যে প্রায় ২ থেকে ৩ ফুট পানি হয়। ঘরের মালামাল চৌকি বা মাচা পেতে রাখছে, রান্না ঘরও প্লাবিত থাকায় চলছেনা রান্না। শিশুদের নিয়ে বাবা-মায়েরা রয়েছে আতংকে। কোনো রকম সুকনা খাবারেই কাটছে দিন রাত।আশ্রয়ন প্রকল্পের মাজেদা বেগম বলেন, ১৯৯৯ ইং সালের নভেম্বর মাসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক এই খাজুরা আশ্রয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন হওয়ার পর থেকে অদ্যবদি কেউই চোখ বুলায়নি এ অসহায় পরিবারগুলোর দিকে। শধু মাত্র মাথা গোজাঁর ঠাই হয়েছিলো। বর্তমানে ১৭ বছর অতিবাহিত হয়েছে টিনের ছাউনি জড়াজির্ন পলিথিন টানিয়ে থাকতে হচ্ছে তার উপরে এখন সকাল দুপুর ও রাত্রে জোয়ারের পানিতে ভাষতে হয়। ভাটায় পানি শুকালে রুমের মধ্যে কাদামাটি কোন ভাবেই বসবাস করা সম্ভব নয়। গরিবের কষ্ট এতোই তিক্ত যা দেখার মতো কেউ নেই। এমন দুঃখ কষ্টের সময় কোন নেতার নের্তৃত্ব নেই। ভোটের সময়আমাদের প্রয়োজন হয় আর ভোট চলেগেলে প্রয়োজন হয় না। তাই আমাদের কদর শেষ এখন শুধু আশ্রয়ীদের মাথা বিক্রি করে চাল গুলি বুঝে নেয়া নেতাদের একমাত্র ধর্ম। আশ্রয়নের সভাপতি আলতাফ মিয়া বলেন, আশ্রয়নের পাশেই খাল বর্তমানে স্লুইজ ভেঙ্গে যাওয়ায় ৩ মাস ধরে আশ্রয়নে বসবাস অনুপযোগি হয়ে পরেছে। আশ্রয়নে বসবাসযোগ্য করে তুলতে হলে প্রথমতো ৩ থেকে ৪ ফুট উচু করে ভিটি এর পরে ঘর র্নিমান করতে হবে।

এব্যাপারে লতাচাপলী ইউনিয়ন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবু ছাইদ ফকির বলেন, শুধু আশ্রযন প্রকল্পই নয় আলীপুর খাজুরা মহাসড়কের স্লুইজ এই ৩ মাস ধরে ভাঙ্গা সেখান থেকে জোয়ারের পানি ঢুকে পুরো এলাই প্লাবিত। স্লুইস মেরামতের জন্য সরকার বরাদ্ধ দিলেও কনটেক্টর কাজ করেনি। যেখান থেকে পানি নেমে যাবে, সেখান থেকে পানি আরো উঠতেছে এখন আমার করার কিছু নাই। আমি ওই কনটেক্টরের বিরুদ্ধে সাংবাদিক সম্মেলন করবো। কনটেক্টরের নাম জিজ্ঞেস করলে নাম বলতে পারেনি তিনি।