গলাচিপায় ইউপি চেয়ারম্যান ও সচিবের বিরুদ্ধে র্অথ আত্মসাতের অভিযোগ

5

মোঃ নাসির উদ্দিন, গলচিপা ঃ গলাচিপা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও সচিবের বিরুদ্ধে ইউনিয়ন পরিষদের টাকা আত্মসাতের দাবি করে র্দূনীতি দমন কমিশনে অভিযোগ দায়ের করেছেন গলাচিপা ইউনিয়নের ১নং ওর্য়াডের মোঃ শাহিন মৃধা নামে এক ব্যাক্তি।

 

ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হাদি ও ইউপি সচিব মজিবর রহমান যৌথভাবে ভুয়া প্রকল্প দেখিয়ে প্রশাসনকে ম্যানেজ করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ অভিযোগে উল্লেখ করা হয় । ইউপি সচিব মজিবর অত্যান্ত চতুর প্রকৃতির হওয়ায় একই ইউনিয়ন পরিষদে নিজের বাড়ী মনে করে ২ যুগ ধরে চাকুরী করে আসছেন এবং ভুয়া প্রকল্পের কাগজ-পত্র গুলো সব সময়ই ঠিকঠাক করে রাখেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। গতকাল রবিবার অভিযোগটি দায়ের করা হয়।

 

২০১২-১৩র্অথ বছরে টি,আর এর বিশেষ প্রকল্পের ৫৭ মে.টন চাল, ২০১৩-১৪ র্অথ বছরে এ.ডি.পি প্রকল্পের ৫টি টিউবওয়েলের বিপরিতে প্রতিটি টিউবওয়েলে ২৫ হাজার টাকা করে উত্তোলন, হতদরিদ্রদের স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা তৈরি করে দেয়ার জন্য বিনামূল্যে রিং স্লাবের নামে ১লক্ষ টাকা, ২০১৪-১৫ র্অথ বছরে এ.ডি.পি প্রকল্পের ৪টি টিউবলের বিপরিতে মোটা অংকের টাকা আদায় করেন। এ ছাড়াও হত দরিদ্রের জন্য রিং স্লাব বাবদ ২লক্ষ টাকা, ২০১৪- ১৫ র্অথবছরে ১৩ মে.টন চাল, ২০১২-১৩ র্অথ বছরে টি.আর এর ৫ মে.টন চাল (মজিবর মেম্বরের বাড়ীর সামনের) রাস্তা নির্মাণের টাকা, ২০১৪-১৫ র্অথবছরে এল.জি.এস.পি ২ প্রকল্পের জেনারেল বরাদ্ধ থেকে ১৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা এবং পি.বি.জি এর ৪ লক্ষ ৭ হাজার টাকার ভূয়া প্রকল্প দেখিয়ে লুটপাটের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেন ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হাদি ও ইউপি সচিব মজিবর রহমান। অভিযোগে আরো বলা হয় ভূমি হস্তান্তর কর, হাট-বাজারের রাজস্ব তহবিলের টাকা কাগজে কলমে প্রকল্প দেখিয়ে লুটপাট করা এবং এল.জি.এস.পির ২ প্রকল্পের ২লক্ষ ৯০ হাজার টাকা র্গভবতী মায়েদের জন্য গাড়ী ক্রয় বাবদ দেখিয়ে মাত্র ৬০ হাজার টাকায় গাড়ী ক্রয় করে বাকি টাকাও আত্মসাৎ করেন।

 

এ ব্যাপারে ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মজিবর রহমান জানান, ‘আমার বিরুদ্ধে কে, কখন, কিভাবে অভিযোগ করেছে তা আমার জানা নেই। টি.আর বা অন্যান্য প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন কমিটি থাকে তারাই সকল কাজ করে থাকে। আমার কাজ হলো বিভিন্ন মিটিং এর রেজুলিউশন করে চেয়ারম্যানকে দিয়ে স্বাক্ষর করিয়ে পি.আই.ও এর কাছে দেয়া। এ ব্যাপারে আমার সম্পৃক্ততা কোথায় তা আমি জানিনা।

 

চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হাদি জানান, এ ব্যাপারে আমার কিছুই জানা নেই, তবে অভিযোগ সঠিক নয়। একটি ইউনিয়ন পরিষদে পাঁচ বছরেও ৫৭ মে.টন চাল আসেনা এছাড়া ইউনিয়ন পরিষদে টি.আর এর কোন বিশেষ প্রকল্প নেই। এত বড় সব বরাদ্দ উপজেলায় আসে আমরা কেবলমাত্র প্রকল্পের সাইট সিলেকশন করে দেই।##