গলাচিপায় বিএনপি’র সম্মেলনকে কেন্দ্র করে টানটান উত্তেজনা, রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা

0

গলাচিপা প্রতিনিধি ঃ গলাচিপায় উপজেলা বিএনপির সম্মেলনকে কেন্দ্র করে বিরাজ করছে প্রচন্ড উত্তেজনা। যে কোন সময় দুই গ্রুপের মধ্যে হতে পারে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ। কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত ও পটুয়খালী জেলা কমিটির নির্দেশ অনুযায়ী শনিবার গলাচিপা উপজেলা বিএনপি’র সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এনিয়ে কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সহ অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মু.শাজাহান খান গ্রুপ মুখোমুখি অবস্থান করছে।

 

উপজেলা কমিটির সাবেক সভাপতি শাহজাহান খান এ সম্মেলন প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জানান ২০১৪ সালের অক্টোবর মাসে গঠিত ৩ মাসের জন্য গোলাম মোস্তফাকে আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। মেয়াদত্তোর্ন হওয়ায় এ কমিটি কোন সম্মেলন করার বৈধতা রাকে না বলে জানিয়েছেন শাহজাহান খান। এছাড়া ওই সময়ে আহ্বায়ক কমিটি বাতিলের জন্য কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মজিবর রহমান সরোয়ারের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় মহাসচিব বরাবরে আপত্তি জানানো হয়েছে।

 

অপরদিকে কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সহ অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা গ্রুপ যেকোন মূল্যে সম্মেলন সফল করতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। শাহজাহান খানের দাবিকে তারা অযৌক্তিক বলে দাবি করছেন। তারা গোলাম মোস্তফার নেতৃত্বে গঠিত আহ্বায়ক কমিটিই বৈধ বলে দাবী করেন তারা। এদিকে এ সম্মেলনকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থায় রয়েছে । এ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে কোন অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে জানায় গলাচিপা থানা পুলিশ স্ত্রূ।

 

উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান মঈন জানান, আলহাজ্ব শাহজাহান খান ১৯৯৬ থেকে ২০১৪ সন পর্যন্ত সভাপতি ছিলেন। দল সংগঠিত রাখতে তার যেমন অবদান রয়েছে তেমনি দলের অনেক ত্যাগী নেতাকর্মীরা চরম উপেক্ষিত হয়েছেন। সর্বশেষ কমিটিতে দলকে তিনি পারিবারিক লিমিটেড কোম্পনীতে পরিনত করেন। তিনি সভাপতি, তার পুত্রবধূ সোনিয়া আক্তারকে যুগ্ন সম্পাদক ও স্ত্রী আনায়ারা শাহজাহান খানকে উপজেলা মহিলা দলের সভানেত্রী করেন। এ কারনে অনেক নেতাকর্মী দলের কার্যক্রম থেকে সরে দাড়ান।

 

এ বিষয়ে গরাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুর রাজ্জাক জানান বর্তমানে জানান বর্তমানে আইন শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। সম্মেলনকে কেন্দ্র করে যদি আইন শৃংখলা পরিস্থিতির অবনতির আশংকা সৃষ্টি হয় সে ক্ষেত্রে পুলিশ আইন শৃংখলা স¤œœত রাখতে সক ব্যবস্থা গ্রহন করবে।

#