গলাচিপায় রাজাকারে মুক্তিযোদ্ধা তালিকা ভূক্তির আবেদন উত্তেজনা

2

 

সোহাগ রহমান,গলাচিপা প্রতিনিধিঃ  গলাচিপায় আল-সামশ বাহিনীর কমান্ডার আ.খালেক সিকদার নাম পাল্টিয়ে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকা ভূক্ত হওয়ার জন্য আবেদন করেছে। উপজেলার উত্তর চরখালী গ্রামের আব্দুল আলী সিকদারের বড় ছেলে আ.খালেক আহম্মেদ কায়সার নামে আবেদন করেছে। তার আবেদন পত্রের ডি.জি.আই নং ১৪৪২৩৯। তার এই দৃষ্টতায় মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী নাগরিক সমাজে মাঝে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এব্যাপারে নাম প্রকাশ না করার শর্তে উত্তর চরখালী গ্রামের এক প্রবীন ব্যাক্তি জানায়, খালেক রাজাকার ওরফে আহম্মেদ কায়সার মুক্তিযুদ্ধের সময় গলাচিপা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির ছাত্র এবং ইসলামী ছাত্র সংঘের একজন সক্রিয় সদস্য ছিলেন। সে ১৮ নভেম্বর পানপট্টির সম্মূখ যুদ্ধে পাকবাহিনীর পক্ষে যুদ্ধ করেন। সেই যুদ্ধে আমাদের চরখালী গ্রামের একজন আল-সামশ সদস্য মারে যায়। উদীচী গলাচিপা শাখার সভাপতি আলাউদ্দীন খান বলেন,  রাজাকার আহম্মেদ কায়সার মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আবেদন করে মুক্তিযুদ্ধকে কটাক্ষর করেছে। সেক্টর কমান্ডাস্ ফোরামের সদস্য সচিব অধ্যাপক সোহরাব আলী হাওলাদার জানায়, আহম্মেদ কায়সারের পরিবারের সকল সদস্যই রাজাকার ছিলে সে কোন সাহসে কাদের প্ররোচনায় মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকা ভূক্ত হওয়ার আবেদন করেছে আমার বোধগম্য নয়। ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা প্রতিরোধ কমিটির আহ্বয়ক মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম মোহম্মদ ঈসা জানান, মুক্তিযুদ্ধের সময় আহম্মেদ কায়সার ওরফে খালেক রাজাকারের নেতৃত্বে আমাদের ঘরে আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দেয়। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর সে পালিয়ে থেকে নিবন্ধন অধিদপ্তরে অফিস সহকারী পদে চাকুরী নেয়। সে বিএনপির জিয়া গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতা। বিএনপির আমলে রাজনৈতিক প্রভাব ঘাটিয়ে আনেক টাকা আয় করেছে। আমি প্রশাসনের কাছে আবেদন জানাই কি করে সে একটা ছোট চাকুরী করে এতো টাকার মলিক হল।