গলাচিপায় স্কুলের গাছ ও মসজিদের অর্থ আত্মসাৎ জেলাপ্রশাসকের কাছে অভিযোগ

3

 

নাসির উদ্দিন, গলাচিপা : গলাচিপা সদর ইউনিয়নের পক্ষিয়া গ্রামে মসজিদের টাকা ও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গাছ কেটে নিয়ে অন্য এক ব্যাক্তির জায়গায় জোরপূর্বক  ক্লাব ঘর উঠিয়েছে স্থানীয় প্রভাবশালীরা এমন অভিযোগ করেছেন মসজিদ কমিটির সহ-সভাপতি মজিবুর রহমান মৃধা নামের এক ব্যাক্তি। গত ২৫নভেম্বর জেলা প্রশাসক পটুয়াখালী বরাবরে উক্ত বিষয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।

অভিযোগে বলা হয় পক্ষিয়া গ্রামের শাহআলম মৃধা,  ফারুক প্যাদা, রহিম গাজী, হানিফ হাওলাদার, ইসমাইল আকন ও হাবিব গাজীর গং ওই এলাকার প্রভাবশালী ও ক্ষমতাধর ব্যাক্তি। তাদের ভয়ে এলাকায় কেউ অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে বা মুখ খুলতে পারেনা। মজিবর রহমান মৃধার ওই অভিযোগটিতে আরো উল্লেখ করা হয়  পক্ষিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩০ হাজার টাকা মূল্যের একটি মেহগনি গাছ কেটে এবং একই গ্রামের খলিফা বাড়ী জামে মসজিদের ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা অভিযুক্ত ব্যাক্তিরা ক্লাব ঘর উত্তোলন করার নামে আত্মসাৎ করেছেন। পরে ওই আত্মসাৎকৃত  অর্থ ও গাছ দিয়ে আবুল কালাম হাওলাদারের জায়গা জোরপূর্বক দখল করে একটি ক্লাব ঘর উত্তোলন করেন। অভিযোগকারী ও তার পক্ষের লোকেরা ওই  ঘরটি উত্তোলন করার সময় বাঁধা দিতে গেলে প্রভবশালী ব্যাক্তিরা বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি ও  হুমকি দিয়ে তাদেরকে তাড়িয়ে দেয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

এ ব্যাপারে জমির মালিক কালাম হাওলাদার জানান, আমার ফলের বাগানের গাছ কেটে জোরকরে প্রভাবশালীরা ওখানে ক্লাব ঘর উঠায় আমারা বাধাঁ দিয়েছি তারা তা শোনে নাই।

মসজিদের ইমাম হাফেজ মোঃ ইছা হোসাইন জানান, মসজিদের ২বছরের ১লক্ষ ১০ হাজার টাকা ওই সব ব্যক্তিরা আত্মসাৎ করেছে বলে মসজিদের মুছুল্লি ও কমিটির লোক জন বলছেন, তিনি আরও জানান হাবিবুর রহমান হাদি খলিফা মসজিদের সভাপতি। মসজিদের সহ-সভাপতি মজিবুর মৃধা একই কথা জানান।

মসজিদ কমিটির সভাপতি গলাচিপা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হাদি খলিফাকে ফোনে জিজ্ঞেস করলে তিনি  জানান, আমি ওই মসজিদের সভাপতি না এখন কে সভাপতি তাও আমি জানি না ।

গলাচিপা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আঃ ছত্তার জোমাদ্দার জানান, ওই স্কুলের হেড মাস্টার আমাকে বলেছে উপজেলা র্নিবাহী অফিসারকে একটি দরখাস্ত দিয়েছি জায়গা মাপ-জোপ করার জন্য, তার পরে আমরা জানব যে ওই গাছটি কার। এ ছাড়া আমি আর কিছুই জানি না।