জঙ্গিবাদ নির্মূল করতে ঐক্যের কথা বলে দেশের মানুষকে আর ধোকা দেবেন না — চিফ হুইপ আ.স.স. ফিরোজ

1

অতুল পাল, বিশেষ প্রতিনিধি: জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ আ.স.ম. ফিরোজ জঙ্গি দমনে বিএনপির জাতীয় ঐক্যের আহবান সম্পর্কে বলেন, দেশবাসিসহ সারা বিশ^ জানে বিএনপি কী চায়। দেশকে এবং দেশের মানুষকে ভালবাসলে জামায়াতকে ত্যাগ করে ঐক্যের কথা বলুন। উন্নয়নের ধারাবাহিকতাকে স্বীকার করুন। অন্যথায় ঐক্যের কথা বলে মানুষকে আর খোকা দেবেননা। তিনি বলেন, জঙ্গিবাদ নির্মূল করতে দেশ প্রেমিক সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। জঙ্গিবাদ দেশের উন্নয়নকে ব্যহত করছে, গণতন্ত্রকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে তখনই দেশি-বিদেশি ষরযন্ত্রে দেশের বিভিন্ন এলাকায় জঙ্গি হামলা চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, দেশে তথাকথিত কোন আইএস নাই। স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের বিরোধি জামায়াত ইসলামই আনসার উল্লা বাংলা টীম, বাংলা ভাই ইত্যাদি নামে জঙ্গি হামলা চালাচ্ছে। বিএনপি তাদেরকে নিরব সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। দেশকে অস্থিতিশীল রাখতে এবং বিদেশে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে দেশি-বিদেশি ষরযন্ত্রকারিরা জঙ্গিদের অর্থায়ন করছে। দেশের বিভিন্ন বেসরকারি উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়–য়া ছেলেদের মগজকে ধোলাই করে জঙ্গি করা হচ্ছে। সন্তানরা স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার কথা বলে বাড়ির বাহিরে গেলে প্রকৃত পক্ষে কোথায় যাচ্ছে, কী করছে, রাতে কোথায় থাকে, কাদের সাথে মেলামেশা করছে এসব খবর অভিভাবকদের নেয়া উচিৎ। সন্তানদেরকে প্রকৃত নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্ব অভিভাবকদের। দেশ থেকে জঙ্গিদের কর্মকান্ডকে চিরতরে নির্মূল করার জন্য চিফ হুইপ সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় নিজ নির্বাচনী এলাকা বাউফলের ১৫ টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় “জঙ্গিবিরোধি জনপ্রতিরোধ কমিটি” গঠন ও সমন্বয় সভার শেষ দিনে শুক্রবার উপজেলার নওমালা, আদাবাড়িয়া, বগা, কনকদিয়া, নাজিরপুর, কালাইয়া, দাশপাড়া ও চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নে আয়োজিত বিভিন্ন সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চিফ হুইপ আ.স.ম. ফিরোজ ওই কথা বলেন।

একজন সভাপতি, ছয়জন সহসভাপতি ও একজনকে সদস্য সচিব করে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট ইউনিয়ন এবং একজন সভাপতি, তিনজন সহসভাপতি ও ২১ জন সদস্য নিয়ে প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে “জঙ্গিবিরোধি জনপ্রতিরোধ কমিটি” কমিটি গঠন করা হয়েছে। স্ব-স্ব ইউপি চেয়ারম্যানদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভূমি) মো. নাজমুল হোসাইন, ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা আযম খান ফারুকী, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোশারেফ হোসেন খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আবদুল মোতালেব হাওলাদার, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সামসুল আলম মিয়া, এপিএস আনিচুর রহমান প্রমূখ।