জেনারেশন ব্রেক- থ্রু প্রকল্পের প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে কমিউনিটি সাপোর্ট গ্রুপ মিটিং

3

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ সবার জানা প্রয়োজন,বয়ঃস্বন্ধিকালীন পরিবর্তন  — এই শ্লোগান নিয়ে পটুয়াখালী অনুষ্ঠিত হয়েছে জেনারেশন ব্রেক- থ্রু প্রকল্পের প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে কমিউনিটি সাপোর্ট গ্রুপ মিটিং।

বৃহস্পতিবার পটুয়াখারী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের আয়োজনে রাজকীয় নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের আর্থিক সহায়তায় জাতি সংঘ জনসখ্যা তহবিল এর মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের , মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং প্লান ইন্টান্যাশনাল বাংলাদেশ কর্তৃকজেনারেশন ব্রেক- থ্রু প্রকল্পের প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে কমিউনিটি সাপোর্ট গ্রুপ মিটিং এর  সভাপতিত্ব করেন সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুবাস চন্দ্র শীল। সহকারী শিক্ষিকা মুর্শিদাহ রাহহান এর সঞ্চালনে মিটিং এ বক্তব্য রাখেন কমিউনিটি সাপোর্ট গ্রুপ মিটিং এর  সদস্য সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর লুৎফুন্নছা ফারুকী,সাবেক প্রধান শিক্ষিকা পুষ্প রাণী সাহা,আঃ রব মিয়া,  এ কে এম কলেজের প্রভাষক নাসিমা শাহীন লিলি অভিভাবক সদস্য সাংবাদিক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন,সহকারী শিক্ষিকা সালমা পারভীন, জেনারেশন ব্রেক- থ্রু প্রকল্পের টেকনিক্যাল অফিসার আমিনা বেগম, সি ডাবলু এফ ডি মোঃ ওমর ফারুক প্রমুখ। বৈষম্যমূলক আচরণ সামাজিকরণ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বড় হওয়ার কারনে  বাংলাদেশের অনেক কিশোর –কিশোরী তাদের জীবনে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার শিকার হয়। পাশাপাশি যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার বিষয়ক প্রয়োজনয়ি তথ্যগুলো না পাওয়ার কারণে কিশোর- কিশোরীরা জীবনে চলার পথে বিভিন্ন ঝুকির সম্মুখীন হয়।আগামী ৫ বছরে প্রকল্পের আওতাধীন জেলাসমূহে অধিক সংখ্যক ১০-১৯ বছরের কিশোর- কিশোরী জেন্ডার সাম্য আচারণ করবে এবং প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ক তথ্য ব্যবহার ও সেবা গ্রহন করবে। জেন্ডার সাম্য আচরণ করছে এমন কিশোর- কিশোরীর সংখ্যা বৃদ্ধি। কিশোর- কিশোরীদেও মাঝে প্রজনন স্বাস্থ্য ও লিঙ্গ ভিত্তিক সহিংসতা বিষয়ে জ্ঞান এবং সংশ্লিষ্ঠ সেবাসমূহের ব্যবহার বৃদ্ধি।কৈশোর প্রজনন স্বাস্থ্য এবং জেন্ডার সমতার উপর প্রোগ্রাম পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধি। ৩০০ টি স্কুল ৫০ টি মাদ্রাসা এবং ১৫০ টি ক্লাবের মাধ্যমে ১৩৮,০২০ জন কিশোর-কিশোরী রয়েছেন।