তহসিলদার কর্তৃক ঘুষ বানিজ্যের প্রতিবাদে মহিপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন

3

 

মনিরুল ইসলাম,মহিপুর প্রতিনিধিঃ মহিপুর থানার ভূমি অফিসের তহসিলদার কর্তৃক ঘুষ বানিজ্যে মিথ্যা প্রতিবেদনের মহিপুর প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করা হয়েছে। গতকাল সকাল ১০টার দিকে মহিপুর প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনকালে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন রুহুল আমিন রাজা মিয়া। লিখিত বক্তব্যে বলেন, জে এল ২৬ নং মৌজার এস এ ১৪০,৩০৩ ও ৭৮ নং খতিয়ানে ৫.৯৯ একর জমির মালিক কেরামত আলী শিকদার। তারা কেরাতম আলী শিকদারের ১৬ জন ওয়ারীশ দীর্ঘ ৭ বছর ধরে ভোগ দখল ও ও বর্তমান বছর ও চাষাবাদ করেন। মহিপুর থানার কোমরপুর গ্রামের ভূমি দস্যু ইউনুছ শেখ গং ভূয়া জালজালিয়াতির মাধ্যমে ওই জমি তাদের দাবী করে এম পি ১৫৫/১৬ নং মোকদ্দমা করলে আদতালত ধান্য কাটা স্থগিত রাখার নির্দেশ দেয়। কলাপাড়া বিজ্ঞ উপজেলা নির্বাহী মেজিট্্েরট এম পি ১৫৫/১৬ নং মোকদ্দমার জমি কে চাষাবাদ করেছে মর্মে সড়ে জমিনে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন মহিপুর ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা মোঃ সেলিম খান কে। যার স্মরক নং-৪৬/১৭। ১৮/০১/১৭ইং তারিখ ভূমি কর্মকর্তা মোঃ সেলিম খান সড়ে জমিন ঘুরে এসে ১ (এক) লক্ষ টাকা ঘুষ চায় রুহুল আমিন রাজা মিয়ার কাছে। লতাচাপলী ইউনিয়নের তুলাতলী গ্রামের জয়নাল শেখ, পিতাঃ মৃতৃঃ ছলেমান শেখের মাধ্যমে নগদ ২৮ হাজার টাকা দেয়া হয়েছে। এতে ভূমি কর্মকত সন্তেষ্ট না হয়ে ভূমি দস্যু ইউনুছ শেখের কালো নোটের যোগ সাজসে তাদের পক্ষ্যে কলমের লাইন লিখে এবং আমরা ৭ বছর চাষাবাদ করি তা উল্লেখ না করে মাত্র বর্তমান বছর উল্লেখ করে।  এ ঘটনায় ১৯ তারিখের বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। বিষয়টি সাংবাদিকদেরকে পুনরায় সড়ে জমিনে সঠিক তদন্ত করে সংবাদ প্রকাশের অনুরোধ করেন।  সড়ে জমিনে তদন্তকালে স্থানীয় কোমরপুর গ্রামের অর্ধশত কৃষক, জেলে, শ্রমিক সকলে বলেন, দীর্ঘ ৭ বছর ধরে রুহুল আমিন রাজা মিয়া গংরা চাষাবাদ করে আসছে এবং বর্তমান বছরও তারা চাষ করেছেন। জয়নাল শেখ বলেন, তার নিজ হাতে টাকা দিয়েছেন। কিন্তু অপর পক্ষ্য অংকে ভারী দেয়ায় রিপোর্টের মোড় ঘুড়ে গেছে। এব্যাপারে ভূমি কর্মকর্তা সেলিম খানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বর্তমানে ঢাকা যাচ্ছি, ঢাকা থেকে রবিবার এসে কথা বলবো।