তালতলীতে সূর্যমুখী খেতে লবন পানি ঢুকে কৃষকের সর্বনাশ

0

আমতলী প্রতিনিধি ঃ বরগুনার তালতলী উপজেলা শহর সংলগ্ন  নিশানবাড়ীয়া ইউনিয়নের অংকুজানপাড়া ও খোট্টারচরে প্রায় ২৫ একর জমির সূর্যমুখী গাছ চলতি অমাবশ্যার জোয়ারের প্রভাবে শনিবার দিনে ও রাতে এবং রবিবার সকালে তিন দফা লবন পানি ঢুকে  তলিয়ে গেছে। পানি ঢোকার পরই গাছ গুলো হেলে পরে শুকিয়ে যাচ্ছে। সূর্যমুখী ক্ষেতে পানি ঢুকে নষ্ট হওয়ায় কৃষকের হয়েছে শর্বনাস।

জানা গেছে, বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋন গ্রহন করে  খোট্টারচরের দরিদ্র চাষীরা চলতি মৌসুমে  প্রায় ১০ একর জমিতে সূর্যমুখী চাষ করে। সূর্যমুখী তোলার আর মাত্র দু’সপ্তাহ বাকি। এর মধ্যেই শনিবার ও রবিবার দিন দফা অমাবশ্যার জোয়ারের পানি ঢুকে ডুবে গেছে সূর্যমুখীর ক্ষেত। সাগরের পানিতে অতিরিক্ত মাত্রায় লবন পানি থাকায় সূর্যমুখী গাছগুলো শুকাতে শুরু করে।

খোট্টারচরের কৃষক ছোবাহান ফকির কান্না জড়িত কন্ঠে জানান, এনজিও উত্তোরণ, এফ এইচ ও ব্রাক  থেকে পৃথক পৃথক ভাবে লক্ষাধিক টাকা ঋণ গ্রহন করে প্রায় ৩ একর জমিতে সূর্যমুখীর চাষ করেছি। ফলনও বেশ ভালই ফলেছে। বীজ তোলার আর মাত্র সপ্তাহ দু-এক বাকি।  কিন্তু দুর্ভাগ্য এরমধ্যেই অমাবশ্যার জোয়ারে পানি বেড়ে তলিয়ে গেছে ক্ষেত। এভাবে ওই এলাকায়   ক্ষেতে লবন পানি ঢুকে ২০ কৃষকের ২৫ একর সূর্যমুখীর ক্ষেত নষ্ট হয়েছে। অতিকষ্টে রোপন করা র্কষকের সূর্যমুখীর ক্ষেতে লবন পানি ঢুকে ফসল নষ্ট হওয়ায় তাদের হয়েছে সর্বনাশ।

আমতলী ও তালতলী উপজেলার দায়িত্বে থাকা কৃষি কর্মকর্তা এসএম বদরুল আলম জানান, বেরিবাঁধের বাইরে সূর্যমুখীর চাষ করায় জোয়ারের পানিতে তলিয়ে ফসল নষ্ট হওয়ার খবর পেয়েছি তবে এ বিষয়ে আমাদের করনীয় কিছু নেই।