তালতলীতে স্কুল ছাত্রী গণধর্ষনের শিকার ভিডিওসহ আটক-১

0

 

কে এম সোহেল, আমতলী প্রতিনিধিঃ বরগুনার তালতলী উপজেলার তালতলী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রী গণধর্ষনের শিকার হয়েছে। ধর্ষিতার বাবা রবিবার থানায় মামলা করলে পুলিশ গণধর্ষনের ভিডিওসহ কলাবাগান এলাকার মৃতু বারেক ডাক্তারের পুত্র আল-আমিন (৩০) কে গ্রেফতার  করে আদালতে সোপর্দ করে। গণ ধর্ষনের ঘটনায় মেয়েটি এখন মানষিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েছে।

পুলিশ জানায়, তালতলী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রীকে তালতলী বন্দরস্থ কলাবাগান এলাকার নিজ বাসায় রেখে তার বাবা ও মা ২২ ফেব্রুয়ারী বুধবার জরুরী কাজের জন্য বরিশাল যায়। ওই দিন দিবাগত গভীর রাতে মেয়েটি প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘরের বাহিরে নেমে ভেতরে প্রবেশ করা মাত্র  আল-আমিনসহ ৩ বখাটে ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেয়। পরে বাসায় বসেই অস্ত্রের মুখে ৩ বখাটেরা ঐ ছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষন করে এবং তা একেরপর এক মোবাইলে ভিডিও করে। ধর্ষন শেষে বখাটেরা পালিয়ে যায়। পরদিন ঐ ভিডিও স্থানীয় অনেক মোবাইলে ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাটি জানা জানি হলে শনিবার গভীর রাতে মেয়েটির বাবা থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পরপরই পুলিশ আলামিনের বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ এবং মেয়েটির পরিবার জানায় গণ ধর্ষনের ঘটনায় মেয়েটি এখন মানষিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলছে। অপরিচিত মানুষ জন দেখলেই সে ভয়ে আতকে ওঠে।

তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কমলেশ চন্দ্র হালদার জানান, ধর্ষিতার বাবা শনিবার গভীর রাতে আলামিন, মেহেদি ও উছেনকে আসামী করে ৩ জনের বিরুদ্ধে থানায় ধর্ষন মামলা দায়ের করে। মামলার প্রধান আসামী আলামিনকে ওই দিন রাতেই তার নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়। অন্য আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তিনি আরো জানান, পালাক্রমে ধর্ষনের ফলে মেয়েটি এখন মানষিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলছে। তাকে বাবা মায়ের জিম্মায় রাখা হয়েছে। একটু সুস্থ হলে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে।