তীব্র শীতে দুস্থরা নির্ঘুম রাঙ্গাবালীতে সরকারি কম্বল পায়নি দুস্থরা

0

 

3বিশেষ প্রতিনিধি : তীব্র শীতে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় দুস্থ মানুষেরা দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। মাস খানেক আগে দুস্থ মানুষের জন্য ৯৮০টি কম্বল বরাদ্দ দেওয়া হয়। ঐ কম্বল কিছু এলাকায় বিতরণ করা হলেও এখনও অধিকাংশ দুস্থ মানুষের হাতে এসে পৌঁছায়নি। ফলে তীব্র শীতে বিপর্যস্ত এসব দুস্থ মানুষ।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের শীতার্ত, দুস্থ ও অসহায় মানুষের মধ্যে বিনা মূল্যে বিতরণের জন্য ৯৮০টি কম্বল বরাদ্দ দেওয়া হয়।

গত ১৫ ডিসেম্বর  পটুয়াখালী জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার মাধ্যমে কম্বলগুলো রাঙ্গাবালী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে এসে পৌঁছে। এক মাসের বেশি হয়ে গেলেও কিছু এলাকায় এখনও কম্বল বিতরণ করা হয়নি।

উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের বউ বাজার এলাকার বাসিন্দা আমেনা বেগম বলেন, ‘বেড়িবাঁধের বাইরে ঘর হওয়ায় রাইতের বেলা শীতে ঘুমাইতাম হারি না। কাছাকাছি নদী হওয়ায় শীত লাগে বেশি। সরকারি কম্বল আইলেও আমাগো কপালে নাই।’

উপজেলার রাঙ্গাবালী ইউনিয়নের চরকাশেমের বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘কম্বল আমরা পামুনা। কম্বল পাইবো দল ক্ষমতায় যাগো হেরা, হেরাই এহন সবচাইতে গরিব।’

উপজেলার চালিতাবুনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান বলেন, ‘তিন দিন আগে কম্বল পেয়েছি। বিদ্যালয়ে ক্রিয়া প্রতিযোগীতরা জন্য কম্বল বিতরণ করতে পারিনি। দুই এক দিনের মধ্যে বিতরণ করবো।’

উপজেলার চরমোন্তাজ ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম বলেন, ‘কম্বল গ্রহণ ও বিতরণের দায়িত্ব ইউপি সদস্য কাসেম মোল্লাকে দেওয়া হয়েছে।’

চরমোন্তাজ ইউনিয়নের দারভাঙা ৪ নম্বর ওয়ার্ড ইউপি সদস্য কাসেম মোল্লা বলেন, ‘কম্বল পেয়েছি। আজ কালকের মধ্যেই বিতরণ করবো।’

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) তপন কুমার ঘোষ বলেন, ‘দুই তিন দিন আগে পাঁচটি ইউনিয়নে কম্বল পাঠানো হয়েছে। এরমধ্যে তিনটি ইউনিয়নে বিতরনের কথা শুনেছি। বাকি দুই ইউনিয়নেও বিতরণ করা হবে।’