ত্রিশ ঘন্টা পরেও কুয়াকাটায় নিখোঁজ মেডিকেলের ছাত্রের সন্ধান মেলেনি

0

কুয়াকাটা প্রতিনিধি ঃ নিখোঁজের ত্রিশ ঘন্টা পরেও কুয়াকাটায় নিখোঁজ বরিশাল মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীর সন্ধান মেলেনি। ছাত্র মাহমুদুল হাসান মামুনের বাবা স্কুল শিক্ষক আবুল হাসেমের ইচ্ছা ছিল ধার্মিক ছেলে তার মৃত্যুর পার জানাযার নামাজ পড়াবে। ছেলের নিখোঁজের খবর পেয়ে গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া থেকে শুক্রবার দুপুরে কুয়াকাটা সৈকতে পৌঁছে কান্না জড়িত কন্ঠে বিলাপ করে তিনি বলছেন, আমরা কি ছেলের লাশও পাব না।

 

নিখোঁজের পর থেকে টুরিষ্ট পুলিশ, কোষ্টগার্ড,ফায়ার সার্ভিস, নৌ-পুলিশ,মামুনের শিক্ষক ও সহপাঠীসহ স্থানীয়রা সৈকতের একাধিক পয়েন্ট ও সমুদ্রে তল্লাশি চালাচ্ছে। শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ৩০ ঘন্টা অতিক্রম করলেও জীবিত বা মৃত উদ্ধার না হওয়ায় মামুনের বাবা, মামা হাদিউল ইসলাম, মামুনের স্কুল শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান,খালু সাইদুল ইসলামদের বিলাপ আরো শোকা বহ করে তুলছে সাগর পাড়ের পবিরেশ।

 

এদিকে নিখোঁজ পর থেকেই কুয়াকাটায় অবস্থান করছে তার সফররত সহপাঠীরা। নতুন করেও অনেক শিক্ষার্থী ও শিক্ষক নিখোঁজ মামুনের স্বজনের সান্তনা দেবার জন্য কুয়াকাটায় এসেছেন। এ ঘটনায় সহপাঠী স্বজন, স্থানীয়রাও পর্যটকদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

 

কুয়াকাটা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) সঞ্জয় মন্ডল ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, বরিশাল মেডিকেলের ৫১জনের একদল ছাত্র বৃহস্পতিবার দুপুরে কুয়াকাটায় আনন্দ ভ্রমনে এসেছেন। তারা কুয়াকাটার আবাসিক হোটেল সী-কুইনে উঠেছেন।

 

কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশের এএসপি মীর ফসিউর রহমান জানান, নৌযান দিয়ে আমরা নিখোঁজ ছাত্র মামুনের সন্ধান চালিয়ে যাচ্ছি। ইতোমধ্যে কোস্টগার্ড সদস্যরা এবং ফায়ার সার্ভিস ইউনিট তারা এখন পর্যন্ত উদ্ধার কাজ অব্যাহত রেখেছে।

 

উল্লেখ্য,বৃহস্পতিবার বেলা ২ টার দিকে সমুদ্রে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হয় বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র মাহমুদুল হাসান মামুন। # #