দশমিনার আরজবেগী সড়ক এখন মরণফাঁদ

4

মামুন তানভীর দশমিনা প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার সদর ইউনিয়নের আরজবেগী বাজার থেকে মুক্তিযোদ্ধা লাল মিয়ার বাড়ি (ভাঙগুলি বাড়ি)  পর্যন্ত দেড় কিলোমিটার সড়কটি এখন মরণফাঁদে পরিনত হয়েছে। সড়কটিতে পিচ ঢালাই উঠে গিয়ে খানাখন্দ তৈরি হওয়ায় এলাকাবাসীকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সড়কটি উপজেলার সদর ইউনিয়নের আরজবেগী বাজার থেকে রনগোপালদি ইউনিয়নের রনগোপালদি বাজারের দিকে বয়ে গেছে। আরজবেগী বাজার থেকে রনগোপালদি বাজার পর্যন্ত মোট ১০  মিলোমিটার সড়কটি উপজেলা এল জি ইডি আওতাধীন সর্বশেষ দেড় বছর আগে সংস্কার করা হলেও এখন  পর্যন্ত সড়টি আর নতুন করে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি । ফলে সড়কটিতে বড় বড় অসংখ্য খানাখন্দে সৃষ্টি হয়ে পাশর্^বর্তী খালে বিধ্বস্ত হয়ে পড়ে আছে। সড়কটির এমন বেহাল দশার কারনে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী জনসাধারনসহ যানবাহন চলাচল করছে ভয়াবহ ঝুকিঁ নিয়ে। আর প্রায় ঘটছে ছোট খাটো দূর্ঘটনা। উপজেলার আরজবেগী বাজার এলাকা থেকে রনগোপালদি বাজার পর্যন্ত কৃষি নির্ভর এলাকা। গ্রামের প্রন্তিক কৃষকরা তাদের উৎপাদিত কৃষিপন্য বিক্রির জন্য উপজেলা সদরের নলখোলা বন্দরে, জেলা সদর ও কালাইয়া বন্দরে নিয়ে যেতে সিমাহীন কষ্ট করতে হয়। সড়কটিতে বড় বড় খানাখন্দ ও ধুলাবালি থাকায় কৃষকদের কৃষিপন্য যানবাহন মালিকরা বহন করতে অস্বিকৃতি জানায়। কৃষকদের পড়তে হয় চরম ভোগান্তিতে। যানবাহন মালিকরা জানান, আরজবেগী বাজরের ওই দেড় কিলোমিটার দিয়ে আমাদের খুব ঝুকিঁ নিয়ে চলাচল করতে হয় এবং সড়কটি দিয়ে গাড়ি চালালে আমাদের গাড়ির অনেক ক্ষতি হয়। বর্ষাকালে সড়কটির বড় বড় গর্ত পরিনত হয় জলাশয়ে । ফলে জনসাধারননের দূর্ভোগ আরও চরম আকার ধারন করে। স্থানীয় ভূক্তভোগী বাজারের তেল ব্যবসায়ী মোঃ মোফাজ্জেল চৌধুরী জানান, সড়কটির করুন অবস্থার কারনে তাদের ব্যবসায় ভাটা পড়ে গেছে। সড়কটি ভেঙে খালে পড়ে আছে। এতে ওই সড়ক দিয়ে বড় কোন যানবাহন চলাচল করতে পারে না। এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শাখাওয়াত হোসেন শওকত বলেন, সড়কটির বিষয়ে আমি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেছি। অতি দ্রুত সড়কটি সংস্কারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।