দশমিনার বাঁশবাড়িয়া-বহরমপুর ব্রিজের বেহাল দশা

5

মামুন তানভীর, প্রতিনিধি দশমিনাঃ পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের বাঁশবাড়িয়া-বহরমপুর খালের ওপরের আয়রণ ব্রিজটির এখন চরম বেহাল দশা। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে সাধারণ মানুষ। দীর্ঘদিন মেরামত না করায় আয়রণ ব্রিজটি এ দশায় পৌঁছেছে। আয়রণ ব্রিজটি এখন বিধ্বস্ত হয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

জানা গেছে, স্থানীয় সরকার উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থায়নে আয়রণ ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়। ঠিক কত বছর আগে ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়েছিল তা কেউ নির্দিষ্ট করে বলতে পারছে না। আয়রণ ব্রিজটি উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়ন ও বহরমপুর ইউনিয়নের সীমানার খালের ওপর নির্মিত। ফলে দুই ইউনিয়নের পারপারের একমাত্র মাধ্যম এই আয়রণ ব্রিজটি। দুই ইউনিয়নের ব্যস্ততম সড়কের ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজটি মাঝখান থেকে হেলে পড়েছে। ব্রিজের কংক্রিটের স্লিপার খুলে পড়ে যাচ্ছে। লোহার পাতগুলো ঝুকে বাঁকা হয়ে ভেঙে যাচ্ছে। সকল এ্যাঙ্গেল জীর্ণদশায় রয়েছে। ফলে যে কোন সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, শত শত শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর একমাত্র চলাচলের মাধ্যম আয়রণ ব্রিজটি। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মোটর সাইকেল পার করলেও পারছে না নসিমন,রিক্সা কিংবা ভারী কোন যানবাহন। অসুস্থ রোগীদের পরতে হয় চরম বিপদে। ব্রিজটির এমন বেহাল দশার কারনে সাধারণ মানুষকে উপজেলা সদরে আসতে হয় বিভিন্ন এলাকা ঘুরে। এত তাদের সময় ও অর্থ দুটোই ব্যয় হয়। এলাকাবাসী আয়রণ ব্রিজটি দ্রুত সংস্কারের দাবী জানান।

উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, মানুষের চলাচলের স্বার্থে ব্রিজটি জরুরিভিত্তিতে সংস্কারের জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে দশমিনা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মোঃ শাখাওয়াত হোসেন শওকত বলেন, দক্ষিন অঞ্চলের উন্নয়নের সার্থে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বরিশাল-বরগুনা একটি প্রজেক্ট দিয়েছেন। ওই তালিকায় এই ব্রিজটি ও নেহালগঞ্জ ব্রিজটি তালিকাভুক্ত আছে। খুব দ্রুত ব্রিজ নির্মাণ ও সংস্কার করা হবে।