দশমিনার বালিকা বিদ্যালয় সড়ক এখন মরণফাঁদ

3
Exif_JPEG_420

মামুন তানভীর ,দশমিনা প্রতিনিধিঃ  পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার সদর ইউনিয়নের পোষ্ট অফিসের সামনে থেকে বেগম আরেফাতুন্নেছা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত দেড় কিলোমিটার সড়কটি এখন মরণফাঁদে পরিনত হয়েছে। সড়কটিতে পিচ ঢালাই উঠে গিয়ে খানাখন্দ তৈরি হওয়ায় বিদ্যালয়গামী শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সড়কটি উপজেলার সদর ইউনিয়নের পোষ্ট অফিসের সামনে থেকে আরজবেগী বাজার এলাকার দিকে বয়ে গেছে। উপজেলা এল জি ইডি আওতাধীন এ সড়কটি সর্বশেষ  ২০১০-১১ অর্থ বছরে সংস্কার করা হয় । ফলে ৬ বছর আগে সর্বশেষ সংস্কারের পর এখন পর্যন্ত সড়টি আর নতুন করে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি । সড়কটিতে বড় বড় অসংখ্য খানাখন্দে সৃষ্টি হয়ে পাশর্^বর্তী পুকুর ও ডোবায় বিধ্বস্ত হয়ে পড়ে আছে। সড়কটির এমন বেহাল দশার কারনে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী জনসাধারনসহ যানবাহন চলাচল করছে ভয়াবহ ঝুকিঁ নিয়ে। আর প্রায় ঘটছে ছোট খাটো দূর্ঘটনা। উপজেলার বেগম আরেফাতুনেছা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় এলাকাসহ আশেপাশের এলাকাগুলো কৃষি নির্ভর এলাকা। গ্রামের প্রন্তিক কৃষকরা তাদের উৎপাদিত কৃষিপন্য বিক্রির জন্য উপজেলা সদরের নলখোলা বন্দরে, জেলা সদর ও কালাইয়া বন্দরে নিয়ে যেতে সিমাহীন কষ্ট করতে হয়। সড়কটিতে বড় বড় খানাখন্দ ও ধুলাবালি থাকায় কৃষকদের কৃষিপন্য যানবাহন মালিকরা বহন করতে অস্বিকৃতি জানায়। কৃষকদের পড়তে হয় চরম ভোগান্তিতে। যানবাহন মালিকরা জানান, বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ওই দেড় কিলোমিটার দিয়ে আমাদের খুব ঝুকিঁ নিয়ে চলাচল করতে হয় এবং সড়কটি দিয়ে গাড়ি চালালে আমাদের গাড়ির অনেক ক্ষতি হয়। বর্ষাকালে সড়কটির বড় বড় গর্ত পরিনত হয় জলাশয়ে । ফলে জনসাধারননের দূর্ভোগ আরও চরম আকার ধারন করে। স্থানীয় ভূক্তভোগী এলাকাবাসী জানান, সড়কটিতে খানাখন্দ থাকার কারনে তাদের চলাচলে চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সড়কটি বিভিন্ন স্থান ভেঙে বিশাল বিশাল গর্ত হয়ে মরণফাঁদ হয়ে গেছে। এতে ওই সড়ক দিয়ে বড় কোন যানবাহন চলাচল করতে পারে না। এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শাখাওয়াত হোসেন শওকত বলেন, সড়কটি প্রস্তাবিত। টেন্ডার প্রক্রিয়াধীন।  এ বছরই সড়কটি সংস্কারের কথা রয়েছে। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেছি। অতি দ্রুত সড়কটি সংস্কারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।