দশমিনার হাজিরহাট সড়ক এখন মরণফাঁদ

4
Exif_JPEG_420

মামুন তানভীর দশমিনা প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার হাজিরহাট সরকারি প্রাথমিক কিদ্যালয়ের সামনে থেকে লঞ্চঘাট পর্যন্ত  প্রায় ১ কিলোমিটার সড়কটি এখন মরণফাঁদে পরিনত হয়েছে। সড়কটিতে পিচ ঢালাই না থাকায় এলাকাবাসীকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সড়কটি দশমিনা সদর থেকে পুজাখোলা হয়ে হাজিরহাট,ঢনঢনিয়া ও গোলখালির দিকে বয়ে গেছে। পুজাখোলা থেকে মোট ৫ মিলোমিটার সংস্কার করা হলেও হাজিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে লঞ্চঘাট পর্যন্ত প্রায় ১ সড়কটি সংস্কার করা হয়নি। ফলে সড়কটিতে বড় বড় অসংখ্য খানাখন্দে সৃষ্টি হয়েছে। সড়কটির এমন বেহাল দশার কারনে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী জনসাধারনসহ যানবাহন চলাচল করছে ভয়াবহ ঝুকিঁ নিয়ে। হাজিরহাট বাজার এলাকা থেকে দক্ষিনে বয়ে চলা গোলখালি গ্রাম ও উওরে বয়ে চলা ঢনঢনিয়া, এ গ্রাম দুটি কৃষি নির্ভর। গ্রামের কৃষকরা তাদের উৎপাদিত কৃষিপন্য বিক্রির জন্য উপজেলা সদরে, জেলা সদর ও কালাইয়া বন্দরে নিয়ে যেতে সিমাহীন কষ্ট করতে হয়। সড়কটিতে বড় বড় খানাখন্দ ও ধুলাবালি থাকায় কৃষকদের কৃষিপন্য যানবাহন মালিকরা বহন করতে অস্বিকৃতি জানায়। কৃষকদের পড়তে হয় চরম ভোগান্তিতে। যানবাহন মালিকরা জানান, হাজিরহাটের ওই ১ কিলোমিটার দিয়ে আমাদের খুব ঝুকিঁ নিয়ে চলাচল করতে হয় এং সড়কটি দিয়ে গাড়ি চালালে আমাদের গাড়ির অনেক ক্ষতি হয়। বর্ষাকালে সড়কটির বড় বড় গর্ত পরিনত হয় সুমুদ্রে। ফলে জনসাধারননের দূর্ভোগ আরও চরম আকার ধারন করে। হাজিরহাটের স্থানীয় মুদি মনোহারি ব্যবসায়ী মোঃ পারভেজ চৌকিদার জানান, সড়কটির বেহাল দশার কারনে ধুলাবালির কারনে তারা ঠিকমত দোকানে বসতে পারচ্ছেন না আর ধুলাবালি তাদের দেহে (শরিলে) প্রবেশ করায় দিনদিন অসুস্থ হয়ে পড়ছেন তারা। সড়কটির করুন অবস্থার কারনে তাদের ব্যবসায় ভাটা পড়ে গেছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শাখাওয়াত হোসেন শওকত বলেন, ঠিকাদারের অনিয়ম দূর্নীতির করনে হাজিরহাটের ওই সড়কটি সম্পূর্ন শেষ করার কথা থাকলেও ১ কিলোমিটার সড়ক সংস্কার করা হয়নি। প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গাফেলতির কারনে ঠিকাদার এমন দূর্নীতি করার সুযোগ পেয়েছেন।