দশমিনায় অপহৃত ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ভারপ্রাপ্ত সভাপতির বাসা থেকে উদ্ধার

1

 

রিপন কর্মকার ,দশমিনা প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর দশমিনা মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ম্যনেজিং কমিটির সংরক্ষিত সদস্যকে অপহরণের সাড়ে ৪ ঘন্টা পর থানা পুলিশ তথাকথিত ভারপ্রাপ্ত সভাপতির বাসা থেকে সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় উদ্ধার করে।

জানা যায়, মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ম্যানেজিং কমিটির সংরক্ষিত সদস্য ও কাঁটাখালী এলাকার মরহুম নাসির উদ্দিনের বিধবা স্ত্রী মেরীনা সুলতানা দাওয়াত খেতে তার বাবার বাড়ি আউলিয়াপুর যায়। সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টায় মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের তথাকথিত ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ জসীম জোমাদ্দার ও সদ্য সাময়িক বরখাস্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ সালাহ্ উদ্দিন সৈকত ওই বাড়ি থেকে মেরীনা সুলতানাকে অপহরণ করে নিয়ে আসে। মেরীনা সুলতানার সাথে থাকা দশম শ্রেণি পড়–য়া তার ছেলে মোঃ রিয়াদুল ইসলাম রুমি মাকে উদ্ধারের জন্য ওই দিন উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১০০ ধারায় মামলা দায়ের করে।নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আজহারুল ইসলাম ওসি দশমিনাকে দ্রুত উদ্ধারের (সার্চ ওয়ারেন্ট ইস্যু করে) নির্দেশ দেন। থানা পুলিশ ঘটনার সাড়ে ৪ ঘন্টার পর তথাকথিত ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মোঃ জসীম জোমাদ্দারের বাসভবন থেকে মেরীনা সুলতানাকে উদ্ধার করেন।

মামলায় বিবরণে জানা গেছে, নিয়োগ বানিজ্য ও স্বাক্ষর জালজালিয়াতি করে বিদ্যালয় তহবিল তছরূপ ঘটনায় চলতি বছরের ২৮ এপ্রিল প্রধান শিক্ষক মোঃ সালাহ্ উদ্দিন সৈকতকে সাময়িক বরখাস্ত করার সভায় তার মাতা মেরীনা সুলতানা একমত পোষণ করে স্বাক্ষর করে। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত তথাকথিত ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাময়িক বরখাস্ত প্রধান শিক্ষক তার মাতা মেরীনা সুলতানার প্রাণ নাশের উদ্দেশ্যে অপহরণের ঘটনা ঘটিয়েছে। এ ঘটনায় উপজেলা যুবলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ও বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মোঃ জসীম জোমাদ্দার বলেন, মেরীনা আমার বাসায় বেড়াতে আসছিল। তাকে অপহরণ করা হয় নাই।