দশমিনায় তেঁতুলিয়ার বুকে জেগে উঠেছে চর বালু উওোলন না করলে হবে ভাঙন রোধ

4
Exif_JPEG_420

 

মামুন তানভীর, দশমিনা প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার হাজিরহাট তেঁতুলিয়া নদীতে জেগে উঠেছে নতুন চর। তেঁতুলীয়ার বুকে জেগে ওঠা এ চরের দুই পাশে নদী আর মাঝখানে চর।  উপজেলার হাজিরহাট লঞ্চঘাট থেকে আরজবেগী ব্লক এলাকা পর্যন্ত নতুন চরের আয়তন প্রায় ৫ কিলোমিটার। এলাকাবাসী মনে করেন তেঁতুলীয়া নদীর বুকে জেগে ওঠা নতুন চরের বালু উওোলন না করা হলে বিস্তির্ন এলাকার ভাঙন রোধ হবে।

জানা গেছে, গত ৪ বছরে দশমিনা উপজেলার হাজিরহাট লঞ্চঘাট এলাকার ৫ কিলোমিটার এলাকা নদী ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে। নদীর তিব্র ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে অর্ধশত বসত ঘড়, ফসলী জমিসহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। ফলে শত শত মানুষ ভিটামাটি হাড়িয়ে মানেবতর জীবন যাপন করছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও জন প্রতিনিধিরা বার বার আশ^াস দিয়েও নেয়নি নদী ভাঙনে কোন পদক্ষেপ। বর্তমানে গ্রীষ্মকাল থাকায় নদী কিছুটা শান্ত থাকায় ভাঙনের মাত্র কমেছে বলে এলাকাবাসী জানায়। তেঁতুলীয়া নদীতে নতুন চর জেগে ওঠায় নদীর তীরে বসবাসরত বাসীন্দারা ভাঙন থেকে রক্ষা পাওয়ার সপ্ন দেখছেন। তবে জেগে ওঠা নতুন চরের বালু উওোলন করা হলে আবারও ভয়াবহ আকার ধারন করতে পারে তেঁতুলীয়ায়।

হাজিরহাট এলাকার বাসিন্দা মোঃ হাবিব চৌকিদার জানান, নদীতে অবৈধ ভাবে বালু উওোলন করার ফলে হাজিরহাট এলাকার বিস্তির্ন এলাকা নদীতে বিলীন হয়েছে। এখন যদি নতুন চরের বালু কেটে নিয়ে যায় প্রভাবশালীরা তা হলে নদী আবার ভাঙতে শুরু করবে। স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ড্রেজার ব্যবসায়ী লিজ ছাড়া বালু উওোলন করে থাকে। উপজেলার বিশিষ্ট জনেরা মনে করেন, চলতি মাসের নতুন চর জেগে ওঠার আগে নদী মাঝের অংশ থেকে বালু উওোলনের করনে তিব্র ¯্রােতে তেঁতুলীয়ার দুই পাশ ভেঙে যেত। এখন আবার জেগে ওঠা নতুন চরটি থেকে বালু উওোলন না করতে দেয়া হলে ভাঙন কমে যাবে।

এ বিষয় জানতে চাইলে দশমিনা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শাখাওয়াত হোসেন শওকত বলেন, প্রভাবশালী কিছু কুচক্রি মহল তাদের ব্যক্তিগত প্রভাব খাটিয়ে নদীর বলু উওোলন করেন। আমি ব্যক্তিগত ভাবে এমপি,মন্ত্রি ও মন্ত্রনালয়ে নদী ভাঙন রোধে কথা বলেছি। অতি শিগ্রই নদী ভাঙন রোধের ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।