দশমিনায় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারকে অপসারন

4

রিপন কর্মকার,দশমিনা প্রতিনিধিঃ অর্থ আত্মসাৎ ও দূর্নিতি অনিয়ম ও বিভিন্ন  বিধিবর্হিভূত কর্মকান্ডের অভিযোগে দশমিনা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোঃ নাজির আহমদকে সাময়িক অপসরন করা হয়েছে। এছাড়াও কেন তাকে স্থায়ী অপসারন করা হবে না তার ব্যাখ্যাসহ ৭ কার্যদিবসের মধ্যে জেলা কমান্ডার বরাবরে লিখিত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। গতকাল রবিবার জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের ৩২ (৮)  স্মারকে প্রেরিত জেলা ইউনিট কমান্ডা এম,এ,হালিম স্বাক্ষরিত চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, মুক্তি/জেক/২৮ তারিখ ২৫/৭/১৬ ইং তারিখের অভিযোগে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য দশমিনা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোঃ নাজির আহমদকে চিঠি দেয়া হয়। এরই প্রেক্ষিতে দশমিনা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নাজিউর রহমান মুক্তি/১৭/অ:ব:/দশ-২০১৬ চলতি বছরের ৪ আগষ্ট লিখিত জবাব দাখিল করলে জেলা কমান্ডার এম,এ,হালিম তা যৌক্তিক নয় বিধায় ৬ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেন। পরে তদন্ত কমিটি জেলা কমান্ডারের বরাবরে তদন্ত প্রতিেিবদন দাখিল করেন। ওই তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আঃ বারেক সরদারের স্ত্রী লাল বিবির জাল সই প্রদান করে ২ বছরের ভাতা উওোলন ও সর্বশেষ এপ্রিল-জুন ২০১৬ ইং মাসে ৩০ হাজার টাকা উওোলন করে ১৬ হাজার টাকা আত্মসাৎ ও অসহায় মুক্তিযোদ্ধাকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কর্তৃক একটি ঘর পাইয়ে দেয়ার নামে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহনের বিষয় সঠিক বলে প্রমানিত হয়। চলতি বছরের ১৫ আগষ্ট পালন না করা, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবুল হোসেনের লিখিত অভিযোগ সত্য প্রমানিত হয় ও স্বাধীনতার স্বপক্ষে এম কে বাশারের কাছ থেকে  মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রনলায় গেজেটে অর্šÍভূক্তি এবং সনদ প্রদানের অজহাতে ৭ হাজার ২ শত টাকা গ্রহন করে বলে ওই তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এদিকে ডেপুটি কমান্ডার মোঃ শাহবুদ্দিন কে দশমিনা উপজেলা কমান্ডারের দ্বায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে দশমিনা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোঃ নাজির আহমদ বলেন, ষড়যন্ত্রকারী একটি গ্রুপ মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে বেআইনি ভাবে আমাকে সাময়িক বরখাস্ত করিয়েছে। তাদের অভিযোগগুলো মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।