দশমিনা উপজেলা শহরের প্রধান সড়কের বেহাল দশা

13

মো. মামুন তানভীর দশমিনা (পটুয়াখালী) ॥
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা শহরের ঐতিহ্যবাহী প্রধান সড়কটির বেহাল দশা। অগণিত খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে সড়কটিতে। এতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে চলাচলকারীদের। উপজেলা শহরে আসা বিভিন্ন যানবাহনকে পরতে হয় ভোগান্তিতে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করায় এ দশায় পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। সড়কের এমন বেহাল দশার কারণে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে স্থানীয়দের মাঝে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতায় দীর্ঘ বছর আগে উপজেলা শহরের প্রধান সকটি নির্মাণ করা হয়। পরে তা চলে যায় পটুয়াখালী সড়ক ও জনপদ বিভাগের (সওজ) আওতায়। এরপর থেকেই সড়টি টুকরো টুকরো জোড়াতালি দিয়ে চলছে। তবে সংস্কারের কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি। শুধু উপজেলা শহরের প্রধান সড়ক নয়। পটুয়াখালী সওজ বিভাগের আওতায় চলে যাওয়া উপজেলার রনগোপলদী ইউনিয়ন থেকে দশমিনা উপজেলা শহর হয়ে শেষপ্রান্তে নবকাচারি পর্যন্ত প্রায় ২২ কিলোমিটার সড়কের অবস্থা দীর্ঘদিন ধরে নাজুক। বর্তমানে এই ২২ কিলোমিটার সড়ক দিয়ে চলাচল অনুপযোগী হয়ে পরেছে। দশমিনা উপজেলা থেকে পাশর্^বর্তী বাউফল ও গলাচিপা উপজেলার সাথে যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম এই ২২ কিলোমিটার সড়ক।
রনগোপালদী ইউনিয়নের রনগোপালদী বাজারের এক বাসিন্দা আক্ষেপ করে জানান, রনগোপালদী থেকে দশমিনার শেষপ্রান্ত নবকাচারি পর্যন্ত একমাত্র সড়কে এতই দুরবস্থা যে,এই রাস্তায় ভালো মানুষ চলাচল রোগী হয়ে যাবে। গাড়ি চলে হেলেদুলে। কিছু স্থানে গাড়ি থেকে নেবে হাঁটতে হয় যাত্রীদের। এর মধ্যে যদি একটু বৃষ্টি হয় তাহলে তো দুর্ভোগের সীমাই থাকে না। এমন দুরবস্থা দেখার কেউ নেই বলে অভিযোগ তার।
কয়েকজন পথচারী ও শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘ এ সকড়টি নিয়ে কারো মাথাব্যথা নেই। যত ভোগান্তি শিক্ষার্থী ও আমজনতার। ভাঙাচোরা সড়কের কারণে টমটমে উপজেলা শহরে যেতে সময় যেমন বেশি লাগে তেমনি বাড়তি ভাড়াও গুনতে হয়।
বিভিন্ন যানবাহন মালিক-চালকরা জানান, সড়কের বেহাল দশার কারণে তাদের যানবাহন বারবার নষ্ট হচ্ছে। সেইসঙ্গে প্রতিনিয়িত জনদুর্ভোগ তো আছেই।
স্থানীয়া সড়কটি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয় পটুয়াখালী সড়ক ও জনপদ (সওজ) বিভাগের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, খুব দ্রুত সড়কগুলো সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হবে। তবে সড়কগুলো পর্যায়ক্রমে সংস্কার করা হবে।####