দীর্ঘদিন যাবত ব্রীজ নির্মান কাজ বন্ধ;জনগনের ভোগান্তি

0

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ পটুয়াখালী জেলা সদরের কালিকাপুর ও লাউকাঠী ইউনিয়নের মুচির পোল ব্রীজের নির্মান কাজ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের গাফেলতির কারনে গত কয়েক বছর যাবত  থেমে আছে । ব্রীজটি সংযোগ সড়ক হওয়ার কারনে এই অঞ্চলের কয়েক হাজার মানুষকে প্রতিদিন ওই খালটি পাড়াপাড়ে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। তবে ব্রীজের প্রকল্প সংশ্লিষ্ঠরা বলছেন, অসমাপ্ত কাজ শেষ করতে নতুন করে আবারো ঠিকাদার নিয়োগ করা হয়েছে, দ্রুতই এর নির্মান কাজ শুরু হবে।

পটুয়াখালী জেলা শহর থেকে বাদুরা জিসি রাস্তার ৫০৬০ মিটার চেইনেজে মুচির পোল নামক স্থানে একটি গার্ডার ব্রীজ নির্মানের উদ্যোগ নেয় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ। ২০১১ সালের ডিসেম্বর মাসে সে মোতাবেক মেসার্স সুমি এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশও প্রদান করা হয়। তবে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান টি ব্রীজের ৪০ শতাংশ কাজ করার পর ৬১ লাখ টাকা তুলে নিয়ে তারা আর কাজ করেনি। ফলে সে অবস্থাতেই গত কয়েক বছর ব্রীজের নির্মান কাজ থেমে আছে। এর ফলে প্রতিদিন এই সড়কে চলাচলকারী কয়েক হাজার মানুষকে দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বাধ্য হয়ে স্থানীয়রা নিজেদের টাকায় একটি সাকো তৈরী করলেও, তা এখন ঝুকিপূর্ন হয়ে পরেছে। এর ফলে নারী,শিশু ও স্কুল গামী শিক্ষার্থীরা সব থেকে বেশি ভোগান্তিতে পরছেন।

কালিকাপুর ইউনিয়নের শারিকখালী এলাকার বাসিন্ধা মোঃ কালাম শরিফ বলেন, ‘ব্রীজের কাজ শুরু হয়েছিলো বেশ কয়েক বছর আগে, তবে কিছু কাজ করার পর হঠাৎ করে নির্মান কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়। এর পর আর কাজ করে নাই। খাল পারাপারের জন্য আমরা স্থানীয়রা বাধ্য হয়ে বাঁস দিয়ে একটি সাকো তৈরী করেছি। যা দিয়ে দুই ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষ প্রতিদিন পারাপার করেন। তবে অনেক সময়েই সাকো ভেঙ্গে দূর্ঘটনা ঘটে। ক্যান ব্রীজরে নির্মান কাজ বন্ধ রয়েছে তা আমরা জানি না। আমার চাই সরকার দ্রুত সময়ের মধ্যে ব্রিজের নির্মান কাজ শেষে করতে উদ্দোগ নিবে।’

সদর উপজেলার এলজিডি সূত্রে জানা গেছে, ৩০ মিটার গার্ডার ব্রীজটি নির্মানের জন্য দ্বিতীয় দফায় ৫৫ লাখ ৪০ হাজার ২৪ টাকা চুক্তিতে মেসার্স মহিউদ্দিন আহমেদ নামে একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্টানের সাথে চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে। সে মোতাবেক এ বছরের গত ১৯ মে তাদের কার্যাদের প্রদান করা হয়েছে। আসা করা যাচ্ছে ঈদের পর ব্রীজের অসম্পূর্ন কাজ শেষ করতে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজ শুরু করবে।

এলজিইডির পটুয়াখালী সদর উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ হোসেন আলী মীর বলেন, যথা সময়ে ব্রীজের নির্মান কাজ শেষ না করায় ঠিকাদারী  প্রতিষ্ঠান মেসার্স সুমি এন্টাপ্রাইজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য উর্দ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। নতুন করে যে ঠিকাদার নিয়োগ করা হয়েছে সে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তার কাজ শেষ করবে বলে আসা করা হচ্ছে।