দীর্ঘ ১ যুগ পার হলেও বিচারের মুখ দেখেনি ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত মামুন মৃধার পরিবার

0

 

জাহাঙ্গীর হোসেন ঃ পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার পশ্চিম আলীপুরা ইউনিয়নের দিন মজুর পিতা আবদুল মোতালেব মৃধার একমাত্র পুত্র ছাত্রলীগ কর্মী মামুন মৃধা নিহত হয় বর্বোরিত গ্রেনেড হামলায়।সেই ভয়াল রক্তাক্ত ২১ আগষ্ট আজ। ২০০৪ সালের এই দিনে বর্বোরিত গ্রেনেড হামলায় নিহত হয় পটুয়াখালীর দশমিনার ছাত্রলীগ কর্মী মামুন মৃধা। একমাত্র আদরের পুত্রককে হারিয়ে শোকে পাথর হয়ে গেছেন মা মোর্শেদা বেগম। বয়সের ভারে কোন কাজ কর্ম করতে পারছেন না দিনমজুর পিতা আবদুল মোতালেব মৃধা। তারা এখন প্রহর গুনছেন কবে হবে এ জঘন্যতম হত্যার বিচার। বছরের এই দিন এলেই কিছু সাংবাদিক ও জন প্রতিনিধিরা এসে শান্তনা এবং আশার বানী শোনালেও বেশীর ভাগই বাস্তবায়ন হয়নি। দীর্ঘ ১২ বছরেও এ হত্যার বিচার না হওয়ায় চাপা ক্ষোভ রয়েছে স্বজনদের মনে।

২০০৪ সালের এই দিনে পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার পশ্চিম আলীপুরা ইউনিয়নের দিন মজুর পিতা আবদুল মোতালেব মৃধার একমাত্র পুত্র ছাত্রলীগ কর্মী মামুন মৃধা নিহত হয় বর্বোরিত গ্রেনেড হামলায়। সংসারের টানা পোড়েনের মধ্যেও স্থানীয় একটি বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাশ করে বাবার সাথে ঢাকায় এসে ভর্তি হয় কবি নজরুল ইসলাম কলেজে।  সে দিন কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ কার্যালয়ের সামনে দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য শুনতে গিয়ে অন্যদের মত এ ভয়াবহ হামলায় নিহত হয় হতভাগা  মামুন। তবে প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার  দেয়া ১০ লাখ টাকা ৩ বোনের বিয়েতে আর ধার- দেনা শোধ করে মোটামোটি সচ্ছলতা আসলেও এখন প্রহর গুনছেন কবে হবে এ হত্যাকান্ডের বিচার। দীর্ঘ ১২ বছরেও একমাত্র পুত্র হত্যার বিচার না পাওয়ায় শোকে পাথর হয়ে গেছেন মা মোর্শেদা বেগম। আদরের ছেলে মামুনের কথা মনে করে বার বার মুর্ছা যান তিনি। খুব দ্রুত বিচার চান পুত্র হত্যার তারা।পরিবারের একমাত্র উর্পাজনকারী বৃদ্ধ বাবা কোন কাজ কর্ম করতে না পারায় মানবেতর জীবন-যাপন করছে তার পরিবার।ভাইয়ের আদর সোহাগ থেকে বঞ্চিত স্বজনরা। তাদের এবং এলাকাবাসীদের এখন একটাই দাবি মামুন হত্যার বিচার।

দশমিনা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এ্যাড মোঃ সাখাওয়াত হোসেন শওকত বলেন,ভয়াবহ এ গ্রেনেড হামলায় মামুনসহ সকল হত্যার বিচার দাবি জানান তিনি। ২১ আগষ্ট ইতিহাসের ভয়াবহ গ্রেনেড হামলাসহ সকল বোমা হামলার বিচার করে সরকার দেশকে পাপ মুক্ত করবে এমন প্রত্যাশা পটুয়াখালী বাসীর।