দুমকিতে এক প্রাইমারী স্কুলছাত্রীকে যৌণ হয়রাণী ও ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ

0

 

 

এম রহমান, দুমকি ঃ পটুয়াখালীর দুমকিতে হানিফ (৪৫) নামের এক দোকানী কর্তৃক চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রী (১২) যৌণ হয়রাণী ও ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় পুলিশে কাছে অভিযোগ করায় নির্যাতণের শিকার শিশুটির পরিবারবর্গের ওপর হামলা হয়েছে। গতকাল বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টায় নির্যাতিত শিশুর বাবা শহিদুল ইসলাম বাদি হয়ে লম্পট হানিফ মৃধাকে প্রধান আসামী করে ছয় সহযোগীদের বিরুদ্ধে দুমকি থানায় একটি ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ দায়ের করেছে।

 

অভিযোগের বিবরণে জানাযায়, উপজেলার দক্ষিণ মুরাদিয়া গ্রামের আপ্তার মৃধার লম্পট ছেলে মুদী দোকানী হানিফ মৃধা মুরাদিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন দোকানে বসে বিভিন্ন শিশু শিক্ষার্থীদের কৌশলে যৌণ হয়রাণী করে আসছিল। সম্প্রতি তার শিশুকন্যা চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রী (১২)কে বিস্কুট চকলেট দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বাড়ির নির্জণস্থানে ডেকে নিয়ে যৌণ হয়রাণী ও ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এসময় শিশুটি ডাকচিৎকার ও উচ্চস্বরে কান্না কাটি শুরু করলে লম্পট হানিফ তাকে ছেড়ে দিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায়। হয়রাণীর শিকার শিশুকন্যা (১২) বাড়ি গিয়ে মা-বাবাকে এ ঘটনা জানায়। অভিযোগটি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে জানালে শালিশ-বিচারের নামে প্রায় একমাস যাবৎ তারা সময় ক্ষেপণ করতে থাকতে। এদিকে গত মঙ্গলবার রাতে এলাকার কালা হাওলাদারের ছেলে রহিম ও আবদুলের ছেলে মাসুমের নেতৃত্বে সবুজ, ফিরোজসহ ৭/৮ জন যুবক শিশুটির বসত বাড়িতে হামলা চালিয়ে মা-বাবাসহ পরিবারের অন্যান্যদের এলোপাথারী মারধর করে। হামলাকারীরা এ ঘটনায় মামলা না করার জন্য তাদের হুমকি-ধামকিও দেয়। প্রভাবশালী বখাটে চক্রটির ভয়ে ভীত সন্ত্রস্থ দরিদ্র পরিবারবর্গ চরম নিরাপত্তাহীণ হয়ে অবশেষে দুমকি থানার আশ্রয়ে নিলে পুলিশ ভিকটিমকে উদ্ধার করে রাতেই দুমকি উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করে।

দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আজম খান ফারুকী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে এবং অভিযুক্ত আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে তিনি জানান।#