দুমকিতে  জোয়ারের পানিতে ভাসছে আলগী গ্রামের মানুষ

6

ডেক্স রিপোর্টঃ পটুয়াখলীর দুমকিতে জোয়ারের পানিতে ভাসছে আলগী গ্রামের মানুষ । অমাবস্যার জো’র প্রভাবে সাগর ও নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় উপজেলার দুমকির পাঙ্গাশিয়ায় আলগী গ্রামের মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। প্রতিদিন দু’দফা জোয়ারের পনিতে ভেসে বেড়াচ্ছে এই গ্রামের মানুষ ।

গত কয়েক দিন ধরে বন্যানিয়ন্ত্র বাঁধের ভাঙ্গা অংশ দিয়ে অস্বাভাবিক জোয়ারের পানি প্রবেশ করে ফের বাড়ি ঘরসহ ফসলি জমি ও মাছের ঘের  ৩/৪ ফুট পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এর ফলে কৃষকদের চাষাবাদ বন্ধ রয়েছে। চরম দূর্ভোগে পরেছে আলগী গ্রামের মানুষ। অধিকাংশ মানুষ এখন অনেকটাই জোয়ার-ভাটার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।

পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের আলগী গ্রামের দৃশ্য সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, বেড়িবাঁধের ভাঙ্গা অংশ দিয়ে জোয়ারের পানি প্রবেশ করে ফসলী জমি, পুকুর, ঘেরসহ বাড়ি ঘর তলিয়ে গেছে। আলগী গ্রামের সহ¯্রাধিক পরিবারের চোখের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। অস্বাভাবিক ¯্রােতের টানে মানুষ ভেসে বেড়ালেও তাদের আর্তনাদ কেউ শুনছে না। দেখা দিয়েছে গো-খাদ্যের চরম সংকট। এছাড়া যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের আলগী গ্রামের স্কুল-কলেজগামী ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাওয়া বন্ধ রয়েছে। এর পরও ভেঙ্গে যাওয়া বাঁধ সংস্কারে কোন উদ্যেগ নেয়া হয়নি। আলগী গ্রামের  কৃষক আঃ কুদ্দুছ মৃধা বলেন, ‘অমার আসা, নামে একটি নার্সারী রয়েছে তা এখন পানিতে তলানো এই জন্য আমার প্রায ৪০/৫০ হাজার টাকার গাছের চারা নষ্ঠ হয়েছে। । এবং।’ একই গ্রামের খবির হাং বলেন, এ বচ্ছর নুন পানিতে ক্ষেত খামার তলাইয়া রইছে ‘জোয়ার ভাডায় পানি উইড্ডা সব ডুইব্বা থাহে।  মোগো  পোলাপান গুলায় স্কুলে যাইতে পারে না। বান বান্ধনের লইগ্যা চেয়ারমানেরও ধারেও বহুত গেছি। কোন কামে অইতে আছে না। আলগী গ্রামের মেম্বর ছরোয়ার হোসেন বলেন, আলগী গ্রাম তলিয়ে যাওয়ার কারনে এখন এলাকার মানুষের কাছে আতংক। কৃষকদের চাষাবাদ বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। বলতে  গেলে আলগী গ্রামের মানুষ এখন জোয়ার ভাটার ফাঁদে পড়ে আছে।

দুমকি উপজেলা চেয়াম্যান মোঃ শাজাহান সিকদার বলেন, জরুরী ভিত্তিতে আলগী গ্রামের ওয়াপদা পয়েন্টে ভাঙ্গা অংশ  মেরামত করা না হলে কৃষকরা তাদের জমিতে চাষাবাদ করতে পারবে না। এ বিষয়ে আমি পানি উন্নয়ন  বোর্ডকে জানিয়েছি।