দুমকিতে প্রধানমন্ত্রীর ছবিযুক্ত ফেস্টুন ছেঁড়া ২নৈশ প্রহরীকে শো’কজ

3

 

এম. রহমান, দুমকি ঃ পটুয়াখালীর দুমকিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি সম্বলিত ব্যানার ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলার ঘটনায় উপজেলা প্রশাসনের দু’কর্মচারীকে শো’কজ করা হয়েছে। গত ১৮অক্টোবর দুমকি উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মো: হাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত চিঠিতে নৈশ প্রহরী আবদুর রহমান ও মো: আবদুস সালামকে ৩কার্য দিবসের মধ্যে লিখিত ভাবে জবাব দাখিলের নির্দেশ প্রদান করেছেন। শো’কজ চিঠিতে উপজেলা কমপ্লেক্স চত্তরে নৈশ প্রহরীর দায়িত্ব পালন কালে কিভাবে অজ্ঞাত দুস্কৃতিকারীরা কম্পাউন্ডে ঢুকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও এলজিআরডি সচিব আবদুল মালেক’র ছবিযুক্ত ডিজিটাল ব্যানার গুলো কিভাবে ভাংচুর করে নির্বিঘেœ পালিয়ে গেছে তা জানতে চেয়ে, ওই দু’কর্মচারীর দায়িত্বে অবহেলার দায়ে কেন বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে না ৩দিনের মধ্যে তার কারণ দর্শাণোর নির্দেশ দিয়েছেন। উল্লেখ্য, গত ১১অক্টোবর সকালে দুমকি উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব আবদুল মালেক-এর সাথে স্থানীয় সুধিজনদের মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। এ মতবিনিময় অনুষ্ঠানে সচিবকে উপজেলা পরিষদের পক্ষথেকে অভিনন্দন জানিয়ে বেশ কয়েকটি ডিজিটাল ব্যানার ও ফেস্টুন টানানো হয়। অনুষ্ঠানের পাঁচ দিন পর শুক্রবার গভীর রাতে অজ্ঞাত দুস্কৃতিকারীরা উপজেলা কম্পাউন্ডে প্রবেশ করে ওই ডিজিটাল ব্যানার ও ফেস্টুনগুলো ছিড়ে ফেলেছে।

এ বিষয়ে দুমকি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ শাহজাহান সিকদার বলেন, এটি এক ধরণের কাপুরুষতার কাজ এবং অনভিপ্রেত ঘটনা। রাজনৈতিক হীন উদ্দেশ্যে একটি অশুভ চক্র এমন ধৃষ্টতাপূর্ণ অপকর্মটি করেছে। অনুষ্ঠানের ৫দিন পর গভীর রাতে যারা ফেস্টুন দু’টি ছিঁড়ে ফেলেছে তারা একদিন রাজনৈতিক আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবেই হবে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিষয়টি সবার কাছে পরিস্কার হয়েছে, যারা ফেসবুকে আপলোডসহ বিভিন্ন মহলে নেতিবাচক প্রচারণা ও সমালোচনা করে বেড়াচ্ছে-ফেস্টুণের ছবি ছেড়ার সাথে তাদের একটি গভীর যোগসূত্র আছে। এটি ওই মহলটির একটি ব্লেইম গেম’র নামান্তর মাত্র।